রাজনীতি
প্রবাসী কন্যার টেলিফোনে জন্মদিনে ঘুম ভাঙে ফখরুলের
প্রবাসী কন্যার টেলিফোনে জন্মদিনে ঘুম ভাঙে ফখরুলের





নিজস্ব প্রতিবেদক
Sunday, Jan 26, 2020, 11:59 pm
Update: 27.01.2020, 12:02:02 am
 @palabadalnet

ঢাকা: জন্মদিনের প্রথম ভোরে প্রবাসী কন্যা মির্জা সামারুহর ‘হ্যাপী্ বার্থ ডে- বাপ্পী’ সম্বোধনে ঘুম ভেঙেছে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের।

রোববার ২৬ জানুয়ারি ছিল বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের ৭২তম জন্মদিন।

১৯৪৮ সালের এই দিনে তার জন্ম হয়েছিলো ঠাকুগাঁওয়ে।

সকালে উত্তরার বাসায় বেশ কিছু নেতা-কর্মী মহাসচিবকে শুভেচ্ছা জানাতে গিয়েছিলেন, তাদেরকে দোয়া করতে বলেছেন তিনি। জন্মদিনে ফুল নিয়ে শুভেচ্ছা জানানো আগেই বারণ করে দিয়েছেন মহাসচিব।

গুলশানের কার্যালয়ে কুটনীতিকদের সাথে সাক্ষাতে আসা স্থায়ী কমিটির সদস্যরাসহ কেন্দ্রীয় নেতারাও মহাসচিবকে হ্যাপী বার্থ ডে‘র শুভেচ্ছা জানায়।

প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেন, ‘‘ জন্মদিন মানে আরো একটি বছর চলে গেছে, বৃদ্ধ থেকে বৃদ্ধের পথে যাচ্ছি। সকালে ঘুম ভেঙে আমার বড় মেয়ের টেলিফোনে। সে-ই প্রথম হ্যাপী বার্থ ডে বললো।”

‘‘ আমাদের প্রাণপ্রিয় নেত্রী এদেশের সবচেয়ে জনপ্রিয় নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া কারাগারে, নিদারুণ কষ্ট-যন্ত্রণায় আছেন তিনি। এরকম একটা অবস্থায় জন্মদিন নিয়ে কি বা বলার আছে। বয়স এখন ৭২ হলো।”

দুই কণ্যা নিয়ে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ও রাহাত আরা বেগমের সংসার। ভাড়া বাসায় তারা উত্তরা থাকেন।

বড মেয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্র্রাণ রসায়ন বিভাগের অধ্যাপক মির্জা শামারুহ অষ্ট্রেলিয়ায় স্বামী-সন্তানকে নিয়ে আছেন। সেখানে শামারুহ সিডনীর একটি বিশ্ববিদ্যালয়ে পোস্ট ডক্টরিয়াল ফেলো হিসেবে কাজ করছেন।

ছোট মেয়ে মির্জা সাফারুহ ঢাকার ধানমন্ডির ‘স্যানি ডেল’ স্কুলে শিক্ষকতা করেন।

মির্জা ফখরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে থেকে অর্থনীতিতে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি লাভ করে শিক্ষাগতা পেশায় যোগ দেন। তিনি ঢাকা কলেজে অর্থনীতি বিভাগের শিক্ষক ছিলেন।

ছাত্র জীবনে ফখরুল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে পূর্ব পাকিস্তান ছাত্র ইউনিয়ন শাখার সভাপতি এবং এসএম হল শাখারও নির্বাচিত সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধে মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর সরাসরি অংশ গ্রহন করেন।

১৯৮৬ সালে সরকারি চাকুরি ছেড়ে সক্রিয় রাজনীতিতে আসেন তিনি।

১৯৮৮ সালে ফখরুল ঠাকুরগাঁও পৌরসভার প্রথম চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন। ১৯৯২ সালে তিনি ঠাকুগাঁও জেলা বিএনপির সভাপতি এবং কৃষক দলের প্রথমে সহসভাপতি এবং পরে সভাপতির দায়িত্বেও ছিলেন দীর্ঘ দিন।

তিনি বিএনপি থেকে দুই বার সংসদ সদস্য এবং প্র্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার সরকারের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বও পালন করেন।

১/১১‘র বিএনপির দুঃসময়ে খালেদা জিয়ার নেতৃত্বে বিএনপির সঙ্গে থেকে মহাসচিব খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের পাশে ছিলেন ফখরুল।
দলের নির্বাহী কমিটির সদস্য থেকে শুরু করে মির্জা ফখরুল জ্যেষ্ঠ যুগ্ম মহাসচিব এবং খোন্দকার দেলোয়ার হোসেনের মৃত্যুর পর ২০১১ সালে দলের ভারপ্রাপ্ত মহাসচিব এবং ২০১৬ সালে ষষ্ঠ জাতীয় কাউন্সিলের মাধ্যমে পূর্ণাঙ্গ মহাসচিব নির্বাচিত হন ফখরুল।  

পালাবদল/এমএম


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]