শনিবার ৭ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৩ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
 
দক্ষিণ এশিয়া
মোদির কাছে আশ্রয় চাইলেন এমকিউএম নেতা আলতাফ
মোদির কাছে আশ্রয় চাইলেন এমকিউএম নেতা আলতাফ





দ্য নিউজ
Monday, Nov 18, 2019, 2:09 pm
 @palabadalnet

পাকিস্তানের মুত্তাহিদা কওমি মুভমেন্ট (এমকিউএম) নেতা আলতাফ হোসাইন তাকে ও তার সহকর্মীদের আশ্রয় ও আর্থিক সহায়তা প্রদান করার জন্য ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কাছে অনুরোধ করেছেন।

লন্ডন পুলিশ আলতাফ হোসাইনের জামিনের শর্ত শিথিল করার পর প্রথম প্রকাশ্য বক্তৃতায় এমকিউএম নেতা ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর দিকে ফেরেন এবং বিভিন্নভাবে তাকে সাহায্য করার অনুরোধ করেন।

এমকিউএম নেতার বিরুদ্ধে ক্রাউন প্রসিকিউশন সার্ভিসেস (সিপিএস) মাধ্যমে সন্ত্রাসবাদের অভিযোগ আনা হয়েছে। আগামী জুনে তাকে কাঠগড়ায় দাঁড়াতে হবে। জামিনের শর্ত হিসেবে তার পাসপোর্ট এখনো বৃটিশ পুলিশের কাছে রয়েছে। আদালত অনুমতি না দিলে তাকে কোনো ট্রাভেল ডকুমেন্ট দেয়া হবে না। বিচার শেষ হওয়ার আগেই ভারতে অবস্থান করার অনুমতি দিতে ভারতীয় প্রধানমন্ত্রীর কাছে আবেদন জানিয়ে তিনি জামিনের শর্ত ভঙ্গ করেছেন কিনা তা খতিয়ে দেখতে শুরু করেছেন আইনজীবীরা।

অনলাইনে হাজার হাজার লোকের দেখা বক্তৃতাটিতে এমকিউএম নেতা বলেন, তিনি ভারত সফর করতে চান, কারণ তার দাদাকে সেখানেই কবর দেয়া হয়েছে। এমকিউএম প্রতিষ্ঠাতা ভারত সরকারের কাছে করা অনুরোধে বলেন, ভারতের প্রধানমন্ত্রী মোদি যদি তাকে ভারতে আসতে দেন, তাকে ও তার সহকর্মীদের আশ্রয় দেন, তবে তিনি তার সহকর্মীদের নিয়ে ভারতে যেতে প্রস্তুত। কারণ তার দাদার কবর রয়েছে ভারতেই। তিনি বলেন, আমার দাদাকে সেখানে কবর দেয়া হয়েছ। আমার স্বজনদের কবরও রয়েছে সেখানে। আমি চাই সেখানে তাদের কবর জেয়ারত করতে।

মোদির কাছে আবেদনে আলতাফ হোসাইন বলেন, ২০১৭ সালের ২২ আগস্ট করাচিতে তার সম্পদ, বাড়ি ও অফিস নিয়ে নেয়া হয়েছে। তিনি বলেন, ভারত সরকার যদি তাকে আশ্রয় দিতে না পারে, তবে যেন তাকে সহায়তা করে।

ভারতের সুপ্রিম কোর্ট বাবরি মসজিদ মামলার রায় দেয়ার পরপরই আলতাফ হোসাইন বক্তব্য রাখেন। হোসাইন বলেন, মোদির বর্তমান সরকারের হিন্দু রাজ কায়েমের অধিকার রয়েছে। আর আসাদউদ্দিন ওয়াইসি ও অন্যান্য ভারতীয় রাজনীতিবিদের যদি ভারতকে ভালো না লাগে, তবে তারা পাকিস্তানে চলে যেতে পারে।

আলতাফ হোসাইন তার বক্তৃতায় বাবরি মসজিদ নিয়ে ভারত সরকারের অবস্থানকে সমর্থন করেন।

এমকিউএম নেতার বিরুদ্ধে ২০১৬ সালের আগস্টে করাচিতে তার সমর্থকদের উদ্দেশে দেয়া বক্তৃতার মাধ্যমে পাকিস্তানে সহিংসতায় ইন্ধন দেয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে। উস্কানিমূলক বক্তৃতা দেয়ার কারণে তার সিনিয়র সহকর্মীদের বেশির ভাগই তাকে ছেড়ে গেছেন। এসব বক্তৃতা করাচির একসময়ের সবচেয়ে পরাক্রান্ত লোকটির মারাত্মক ক্ষতি হয়ে যায়।

পালাবদল/এমএম


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]