অড নিউজ
পুলিশ দেখেই দৌড় দিল ‘মৃতদেহ’!
পুলিশ দেখেই দৌড় দিল ‘মৃতদেহ’!





পালাবদল ডেস্ক
Sunday, Jun 6, 2021, 11:15 pm
 @palabadalnet

কলকাতা: দামোদর নদীতে পানিতে ভেসে এসেছে যুবকের দেহ। তা দেখে ভিড় জমে যায় বর্ধমানের সদরঘাটে দামোদরের তীরে। স্থানীয় বাসিন্দাদের কাছ থেকে খবর পেয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করতে ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বর্ধমান থানার পুলিশও। তারপর স্থানীয় বাসিন্দাদের সাহায্য নিয়ে দেহ তুলতে যান পুলিশকর্মীরা। কিন্তু পুলিশ দেখেই বেঁচে ওঠে ‘মৃতদেহ’। শুধু বেঁচে ওঠা নয়, রীতিমত দৌড় দেয় দামোদরের পানিতে ভেসে আসা ওই যুবক। যা দেখে তাজ্জব বনে যান সদরঘাটে উপস্থিত এলাকাবাসী থেকে পুলিশকর্মীরাও।

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, অন্যান্য দিনের মতো শনিবার বিকেলেও দামোদরের তীরে সদরঘাটে বেড়াতে গিয়েছিলেন এলাকার কয়েকজন বাসিন্দা। হঠাৎ করেই তারা লক্ষ্য করেন, ঘাটের কাছে ভেসে রয়েছে এক যুবকের দেহ। কোনো নড়াচড়া নেই। চোখ বন্ধ। পরনে পোশাকটুকুও নেই। সবুজ শ্যাওলায় মাখামাখি গোটা দেহ। সকলেই ভাবেন, মৃতদেহ ভেসে এসেছে। মুহূর্তের মধ্যে খবর ছড়িয়ে পড়ে এলাকায়। ভেসে আসা দেহটি আদতে কার, তা জানতে ভিড় জমে যায় দামোদরের তীরে। তবে মৃতদেহ ভেবে কেউ সেটিতে হাত না দেননি। খবর দেওয়া হয় বর্ধমান থানায়। খবর পেয়েই ঘটনাস্থলে পৌঁছায় বর্ধমান থানার পুলিশ। তারপর স্থানীয় যুবকদের সাহায্যে দেহটি টেনে পাড়ে তোলেন পুলিশকর্মীরা। এরপরই রীতিমত ভিমড়ি খাওয়ার মতো অবস্থা হয় পুলিশ সহ সদরঘাটে উপস্থিত সকলের।

দেহটি পাড়ে টেনে তোলার পরই সটান উঠে সোজা হয়ে বসে ‘মৃতদেহ’। এরপরই পুলিশ দেখে ছুটে পালানোর চেষ্টা করে ওই যুবক। যদিও দৌড়ে পালাতে পারেনি। ঘাটে উপস্থিত পুলিশকর্মী ও এলাকাবাসী ওই যুবককে ধরে ফেলেন। তারপর এভাবে মরার মতো পড়ে থাকার কারণ জিজ্ঞাসা করলে কোনো স্পষ্ট জবাব দিতে পারেনি ওই যুবক। মসকরা করার জন্যই যে সে একাজ করেছে তা একপ্রকার স্পষ্ট। কেননা সে ওই এলাকারই বাসিন্দা। যদিও এহেন মসকরা একেবারেই উচিত নয়। তবে কেবল মসকরা করার জন্য দীর্ঘক্ষণ নদীর পানিতে মরার মতো ভেসে থাকা সহজ ব্যাপার নয় বলে দাবি এলাকাবাসীর।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, অন্তত দু-ঘন্টা দামোদরের পানিতে স্থির হয়ে পড়ে ছিল ওই যুবক। নিঃশ্বাস-প্রশ্বাস নিচ্ছে কিনা তাও বোঝা যাচ্ছিল না। দীর্ঘক্ষণ ধরে ডাকাডাকি করেও কোনও সাড়া মেলেনি।পুলিশ অবশ্য যুবকের এহেন মসকরা মেনে নেয়নি। ঘাটে দাঁড়িয়েই পুলিশকর্মীরা ওই যুবককে লাঠির দু-চারটে ঘা লাগায়। তারপর কাকুতি-মিনতি করে, এই ধরনের মজা আর করবে না জানিয়ে কোনোক্রমে পুলিশের হাত থেকে নিষ্কৃতী পায় যুবক।- এই সময়

পালাবদল/এমএ


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2020
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]