সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
 
মিডিয়া
‘একটি পত্রিকার সম্পাদক ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে ফোন করে টাকা চেয়েছিলেন’
‘একটি পত্রিকার সম্পাদক ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে ফোন করে টাকা চেয়েছিলেন’





পালাবদল ডেস্ক
Wednesday, Oct 30, 2019, 1:32 am
Update: 30.10.2019, 1:33:08 am
 @palabadalnet

ঢাকা: চলমান ক্যাসিনো ও দুর্নীতি বিরোধী অভিযানের বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জানিয়েছেন, কোনো একটি পত্রিকার সম্পাদক ফোন করে একটি ব্যাংকের চেয়ারম্যানের কাছে কিছু একটা টাকা চেয়েছিলেন। টাকা না দিলে সংবাদ প্রচার করে জীবন ধ্বংস করে দেবেন বলেও হুমকি দিয়েছিলেন। যার তথ্য প্রমাণ রয়েছে। 

গতকাল গণভবনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী এ তথ্য জানান।

আজারবাইজান সফর নিয়ে এ সংবাদ সম্মেলন হলেও প্রধানমন্ত্রী সমসাময়িক বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন। প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রশ্ন ছিল, দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত এমন ১০০ জনের নাম দুর্নীতি দমন কমিশনে দেয়া হয়েছে। এরকম আর কতজনের তালিকা আপনার হাতে আছে? প্রধানমন্ত্রী বলেন, কতজনের তালিকা সেটা কেন এখন বলবো? তবে এতটুকু বলতে পারি কোনো এক পত্রিকার সম্পাদক কোন একটি ব্যাংকের চেয়ারম্যানকে ফোন করে বলেছেন কিছু একটা টাকা চায়। সেটা যদি না দেয়া হয় তাহলে তার বিরুদ্ধে এমন লেখা লিখবে যে তার জীবনটাই ধ্বংস হয়ে যাবে।

সেটা বের হোক তারপর জানবেন। প্রমাণপত্র সবই আছে। এটার রেকর্ডও আছে।

দীর্ঘদিন ধরে দেশে অবৈধভাবে ক্যাসিনো পরিচালিত হয়ে এলেও কোনো গণমাধ্যম বিষয়টি নিয়ে সংবাদ প্রচার করেনি উল্লেখ করে শেখ হাসিনা বলেন, এতদিন ধরে ক্যাসিনো পরিচালিত হয়ে আসছে, কই, আপনারা তো কেউ কোনো নিউজ করলেন না। ক্যাসিনো খেলার জন্য এরকম আধুনিক যন্ত্রপাতি এসেছে, আপনারা জানতে পারলেন না? আমিই তো এদের ধরার উদ্যোগ নিয়েছি। কিন্তু এতোগুলো চ্যানেল আছে, আপনারা কেউ নিউজ করতে পারলেন না? আমরাই এদের ধরব, আবার আমাদেরই প্রশ্ন করবেন সেটা তো হতে পারে না। 

প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশে সব থেকে বেশি সংবাদপত্র। কয়েকশ সংবাদপত্র। একসময় বাংলাদেশে একটাই চ্যানেল ছিল। আমি তো সবকিছু ওপেন করে দিলাম। ৩২টির মতো চ্যানেল চালু। কোনো একটি চ্যানেল থেকে এ বিষয়ে কোনো একটি নিউজ দিতে পারলেন না। এর জবাব কি আপনারা জাতির কাছে দিতে পারবেন। পারবেন না। 

তিনি বলেন, মানুষ যখন কোনো অপরাধের সঙ্গে জড়ায়, সে মনে করে-আর কেউ জানবে না। কিন্তু ধরা কোনো না কোনোভাবে পড়ে যেতেই হয়। এটা হলো বাস্তবতা। আমরা চাইছি, দেশটা শান্তিপূর্ণভাবে চলুক। দেশের উন্নতি হোক। দিন-রাত পরিশ্রম করি দেশের মানুষের শান্তি, জীবনমান যেন উন্নত হয়। যারা দুর্নীতি করে ধরা পড়ছে তাদের বিচারে বিশেষ ট্রাইব্যুনাল হবে কি না এমন প্রশ্নে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা জেলে আছেন তাদের কি বিচার হয়নি। 

নুসরাত হত্যার বিচার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, নুসরাত নিজে জবানবন্দি দিতে পেরেছিলেন। এটা ছিল মামলার গুরুত্বপূর্ণ এভিডেন্স। এক্ষেত্রে সাংবাদিকদের ভূমিকাও অনেক বেশি ছিল। তারা সবকিছু বের করে আনতে পেরেছে। 

তিনি বলেন, বিচারের ক্ষেত্রে একটা সমস্যা হচ্ছে বিচার বিভাগের স্বাধীনতার নামে মামলার জটটা বেড়ে গেছে। মামলার সংখ্যাও বেড়েছে। সবই নিতে যেয়ে এ অবস্থা হয়েছে।

পালাবদল/এমএম



  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]