শিল্প-সাহিত্য
হাবিবা লাবনীর গল্প আপন ঠিকানা
হাবিবা লাবনীর গল্প আপন ঠিকানা





Tuesday, Sep 8, 2020, 8:23 pm
Update: 08.09.2020, 8:40:41 pm
 @palabadalnet

স্বামী, সন্তান, সংসার সব ফেলে চলে গেল শিলা। জীবনের এ রকম একটা পর্যায়ে এসে শিলা যে এমন কাজ করবে এটা ভেবেই তার আশেপাশের সবাই হতবাক। আর নিন্দুকদের তো পোয়াবারো। সবখানে নিন্দার ঝড়। এর মধ্যে অনেকে শিলার স্বামী ফারুক সাহেবের দিকে আঙুল উঁচিয়ে বলল, ‘উচিত শিক্ষা হয়েছে’।

তেরো দিন পর ফারুক সাহেব শিলার তরফ থেকে ডিভোর্স লেটার হাতে পেলেন। সাথে একটা চিঠি। তাতে লেখা, “এতদিন আপনার ঘরে বন্দী থাকতে থাকতে আমি প্রায় মরেই গিয়েছিলাম। ওখান থেকে বেরিয়ে নিজেকে খুব মুক্ত মনে হচ্ছে। বাকি জীবনটা আমি বাঁচতে চাই আমার মতো করে। শান্ত আর তনুর প্রতি আমার কোনো দাবি নেই। আশা করি বাবা হিসেবে আপনি ওদের প্রতি দায়িত্ব পালন করবেন। আর একটা কথা আমার মনে হয়েছে, আমি কোনো অপরাধ করিনি। সতেরো বছর আগে অপরাধ করেছিলেন আপনি। পুরনো সব ভুলে গেলাম। ভালো থাকবেন।”

চিঠি পড়ে ফারুক সাহেব সেই অতীতে ফিরে গেলেন। ব্যাংকার হওয়ার সুবাদে তাকে দেশের বিভিন্ন জেলায় ঘুরে চাকরি করতে হয়েছে।স্ত্রী সন্তানরা সবাই ময়মনসিংহ শহরেই বাস করতো। তিন ছেলে দুই মেয়ের মধ্যে মেয়ে দুটোরই বিয়ে হয়ে গেছে। বড় ছেলে মাস্টার্স শেষ করেছে আর বাকি দুইজনের একজন অনার্স আর ইন্টারমিডিয়েটে পড়ে। সেই সতেরো বছর আগে পোস্টিং হয় জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জে।

শিলা দেওয়ানগঞ্জেরই মেয়ে। দেখতে সুন্দরী। ক্লাস এইটে পড়ে। বয়সের তুলনায় শারীরিক গড়নে অন্যদের তুলনায় একটু বেশি বড় । কিন্তু মানসিকতা তার বয়সী ছেলেমেয়ের মতোই। পাশের বাড়ির রুবেলের সাথে সেই শিশুকাল থেকেই ঘনিষ্টতা । 

শিলার পরিবারের আর্থিক অবস্থা ভালো না। বাবা কৃষক। তিন ভাইয়ের কেউ তেমন একটা পড়াশুনা করেনি। বাড়ির পাশের পুকুরঘাটে শিলাকে একদিন ফারুক সাহেব দেখেন। বাড়িটা রাস্তার ধারে হওয়ায় মানুষের চলাফেরা সেখান দিয়ে। শিলাকে দেশে ভীষণ ভালো লেগে যায় ফারুক সাহেবের। তার স্ত্রী ছেলে মেয়েদের কথা মাথাতেই আসে না। কামনার দৃষ্টি থেকেই এ ভালো লাগা। খোঁজ নিয়ে শিলার পরিবারের অবস্থা জানতে পারেন। 

সাতচল্লিশ বছর বয়সে তেরো বছরের শিলার জন্য বিয়ের প্রস্তাব পাঠান। কোনোরকম বিবেকবোধ কাজ করেনি। তার যুক্তি হলো, আর্থিক সামর্থ্য অনুযায়ী সে যদি একাধিক স্ত্রীর ভরণপোষণের দায়িত্ব নিতে পারেন তাহলে আপত্তি কিসের। এদিকে পাত্রের ময়মনসিংহ শহরে বাসা, গ্রামে প্রচুর জমিজমা, ব্যাংক ব্যালেন্স-এসব শুনে বয়স কিংবা আগের সংসার সব কিছু ভুলে গেলেন শিলার বাবা-ভাইয়েরা। তাছাড়া ফারুক সাহেব শিলার ভাইদের ব্যবসা ধরিয়ে দেবার টোপ দেন। সব মিলিয়ে আগপিছু না ভেবে সবাই মিলে শিলাকে বাপের বয়সী ফারুক সাহেবের সাথে বিয়ে দিয়ে দেয়। শিলার তখনও বিয়ের ব্যাপারে মনে কোনো বোধ তৈরি হয়নি। কিছু না বুঝে সবাই যা করতে বলে তাই করে যায়। যাওয়ার সময় শুধু রুবেলকে বলে, “শোন তুই আমাকে দেখতে আসিস।”

কয়েকদিন পর শিলা বিয়ের আসল অর্থ বুঝতে পারল। সে জানলো তার জীবনটা পাল্টে গেছে। ইচ্ছে করলেই আর আগের মতো চলতে পারবে না। সবচেয়ে বেশি কষ্ট হলো-রুবেলকে না দেখতে পেয়ে। যার সাথে সে দিনের বেশিরভাগ সময় কাটিয়েছে, তারই দেখা পাচ্ছে না। বাপ ভাইদের ওপর ক্ষোভ জমতে শুরু করলো তার মনে। তার মনে হতে লাগলো সবাই মিলে একটা সর্বনাশের দিকে তাকে ঠেলে দিয়েছে। তাকে বিক্রি করে দিয়েছে। তার মনে একটা আক্রোশ বাসা বাঁধে। ক্ষোভ জমতে থাকে। আক্রোশ আর ক্ষোভ মনের ভেতরে রেখে শিলা তথাকথিত সংসার করতে থাকে।

বাপের বয়সী স্বামী যখন তার কাছে শারীরিক আবেদন নিয়ে আসে তখন শিলার মনে প্রচণ্ড ঘৃণা কাজ করে। মনেপ্রাণে কোনোভাবেই সে তার স্বামীকে মেনে নিতে পারে না। কিছুতেই সে স্বামীর ঘরকে সহ্য করতে পারে না। কিন্তু শিলা এটাও জানে বাপের বাড়ি চলে গেলেও বাপ-ভাইয়েরা আবার ফেরত দিয়ে যাবে। 

নিজের জীবনের ব্যর্থতায় রুবেলকে তার এখন আরো অনেক আপন মনে হয়। আগে ছিল সঙ্গী। এখন রুবেলই তার কাছে সবকিছু।

একদিন স্বামী অফিস গেলে শিলা সরাসরি স্কুলে যায় রুবেলের খোঁজে। রুবেলকে পেয়ে সে আবেগ ধরে রাখতে পারে না। তাকে দেখেই কেঁদে ফেলে। রুবেল বুঝতে পারে শিলা ভালো নেই। আর ভালো থাকবেই বা কী করে। এক সময় শিলা বলেই ফেলল, “রুবেল তুই আমাকে বাঁচা। ওই লোকটার কাছে থাকলে আমি মরে যাব। আমি কোনোভাবেই তাকে সহ্য করতে পারছি না।”

শিলার কথা শুনে রুবেলের মনমরা হয়ে যায়। তারপর শিলাকে শান্ত করে বলে, “তোকে নিয়ে আমি কোথায় যাব বলতে পারিস। তোর ভাইয়েরা আর তোর স্বামী এসে আমার কাছে থেকে নিয়ে যাবে। আমি কীভাবে ধরে রাখি তোকে।”

অবুঝ শিলা তখন বললো, “আমি কিছু জানি না। কিছু জানি না। আমি আর তোর কাছ থেকে কোথাও যাব না। আমি মরে যাব।”

রুবেল শিলাকে নিয়ে তাদের বাড়িতে আসলো। রুবেলের মা শিলাকে আগে থেকেই অনেক স্নেহ করতেন। মনে মনে ছেলের বউ করার ইচ্ছা করেছিল। তাই শিলাকে দেখে খুশি হলেও দুঃখ পেলেন। সে তো অন্যের বউ। সে বুঝতে পারে শিলা লুকিয়ে এসেছে। তাই কিছু না বলে সেই আগের মতোই আচরণ করতে থাকেন। 

শিলা রুবেলের মার কাছে আবদার করে বলে, “খালাম্মা আমি কিন্তু আর এ বাড়ি থেকে যাব না বলে দিলাম।” তিনিও হাসতে হাসতে বলেন,“ঠিক আছে তোকে আমি রেখে দেব।” 

কিন্তু তিনি জানেন কিছুক্ষণের মধ্যেই শিলাকে তার স্বামী এসে নিয়ে যাবেন। তাখন কিছুই করার থাকবে না। তিনি ভাবেন, কেন যে এত সুন্দর মেয়েটার জীবন এমন হলো। বয়সে প্রায় চারগুণ বড় একজন স্বামীর ঘর করতে হচ্ছে। তার মধ্যে আবার সতীন, সৎ ছেলেমেয়ে। এসব কিছুর মধ্যে একমাত্র মেয়েকে বিয়ে দিতে তার বাপের বিবেকে এতটুকুও বাধলো না। অর্থ-সম্পদই কি সব। মেয়ের সুখের কি কোনো দাম নেই তার কাছে। বিষন্ন হয়ে পড়েন রুবেলের মা।

এদিকে ফারুক সাহেব অফিস থেকে ফিরে শিলাকে না পেয়ে সোজা শিলার বাপের বাড়ি যান। ভাইয়েরা জানতে পারে শিলা স্কুলে এসেছিল এবং রুবেলের সাথে গেছে। সন্ধ্যার সময় শিলার স্বামী, বাপ-ভাই সবাই রুবেলের বাড়ি আসে। তারা রুবেলের বাবা-মাকে শাসিয়ে যায় আর কোনোদিন যেন তাদের ছেলে শিলার কাছে না যায়। তারা শিলাকে জোর করে নিয়ে যায়।

ফারুক সাহেব খুব ধূর্ত প্রকৃতির লোক। ঘটনার পুনরাবৃত্তি যাতে না হয়, সেজন্য সে পনের দিনের মধ্যে বদলি নিয়ে ময়মনসিংহে চলে আসেন। শিলাকে বাসায় উঠানোর পর তার সতীন এবং সৎ ছেলেমেয়ে কেউ তাকে মেনে নিতে পারল না। ফারুক সাহেব তখন খুব কঠিনভাবে সবাইকে বললো, “আমার স্ত্রীকে যদি সবাই মেনে নিতে না পারো তবে সবাই আমার বাসা ছেড়ে চলে যাও। আর শিলার সাথে কেউ খারাপ ব্যবহার করলে আমি তাকে ক্ষমা করব না। আমি কখনো কারও কোনো কমতি রাখিনি। তাহলে আমার চাওয়াটাকে তোমরা মেনে নিবে না কেন। আর শিলার কোনো দোষ নেই। আমি তাকে বিয়ে করে এনেছি বলেই না সে এ বাড়িতে এসেছে। আশা করি এ ব্যাপারে আর কোনো কথা হবে না।”

তখনকার মতো সবাই চুপ হয়ে যায়। কিন্ত এলাকার মানুষের মুখ কী দিয়ে বন্ধ করবেন ফারুক সাহেব। অফিসে, এলাকায়, চারদিকে ফিসফিসানি। এতসব নিন্দার মুখে টিকতে না পেরে তার আগের স্ত্রী ছেলেরা সবাই গ্রামের বাড়ি ত্রিশালে চলে গেল। ছোট ছেলেটা ত্রিশাল উপজেলার একটা কলেজে ভর্তি হলো। অনার্সে পড়ুয়া ছেলেটা বিশ্ববিদ্যালয়ের হলে উঠে গেল। মেয়ে জামাইরা আর ময়মনসিংহের দিকে ফিরেও তাকালো না। ফারুক সাহেব মাস শেষ হলেই সমস্ত খরচ পাঠিয়ে দেন। এদিকে কোনো দোষ না করেও শিলার মধ্যে অপরাধবোধ কাজ করতে থাকে। তার মনে  হতে থাকে তার জন্যই এত সুন্দর সংসারটা ভেঙে তছনছ হয়ে গেল। ছেলেমেয়েরা কেউ মুখ দেখাতে পারছে না। সমাজে ছোট হয়ে গেছে। এসব চিন্তা করে শিলা ভেতরে ভেতরে কুঁকড়ে যায়।

ফারুক সাহেব শিলার মন জয় করার জন্য নিত্যনতুন শাড়ি গয়না কিনে দেন। বেড়াতে নিয়ে যেতে চান। শিলার নামে ব্যাংক একাউন্ট খুলে দেন। যাতে নিজের ইচ্ছামত টাকা তুলে খরচ করতে পারে। কিন্তু এসবে শিলার মন ভরে না। সে তার স্বামীকে প্রচণ্ড ঘৃণা করে। সংসারে জীবন্ত লাশ হয়ে বেঁচে থাকে শিলা ।

এতকিছুর পরও শিলা সন্তানসম্ভবা হলো। ছেলে হলো। শিলার স্বামী যেন নিশ্চিন্ত হলেন এবার অন্তত শিলার সংসারের দিকে মন ফিরবে। স্বামী সন্তানকে ভালোবাসবে। 

ছেলে বড় হতে লাগলো। একটি মেয়েও আসলো শিলার কোলজুড়ে। যথানিয়মে দুজনই বড় হতে লাগলো। মাকে খুশি করার জন্য বাবা সন্তানরা যখন যা চাচ্ছে তার চেয়ে বেশি দিচ্ছেন। কিন্তু শিলার কোনো পরিবর্তন নেই। মানসিক অপ্রাপ্তির যন্ত্রণা তার মনে স্থায়ী হয়ে গেছে। হতাশা, আক্রোশ, ক্ষোভ জমতেই থাকে। শিলা যেন ঘুমন্ত আগ্নেয়গিরি।

শিলার সংসারের চাকা এভাবে বস্তুগত পাওয়া আর অবস্তুগত না পাওয়ার দ্বন্দ্বে ঘুরতে লাগলো। তার মনে রুবেল আরো ঝেঁকে বসে।

অন্যদিকে রুবেলের পড়াশুনার ইতি ঘটেছে। শিলার কাছে যাওয়ার জন্য মন স্থির করেছে কিন্তু সাহসে কুলোয়নি। তার স্বামী ক্ষমতার বলে যদি তার পরিবারের ক্ষতি করে। কয়েক বছর বাউণ্ডেলের মতো ঘুরে অবশেষে বাঁচার তাগিদে কাজে যোগ দেয়। ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ।

রুবেলের বাবা-মা ছেলেকে বিয়ের জন্য বেশ কয়েকবার চাপ দিয়েও কোনো ফল পায়নি। তাই ছেলের বিয়ের চিন্তা বাদ দিয়েছে।

ঘুরতে ঘুরতে ময়মনসিংহ শহরে এক নতুন কনস্ট্রাকশন বিল্ডিংয়ে ইলেকট্রিশিয়ানের কাজ পায় রুবেল। ছোট চাকরি। তাতে ওর কোনো আফসোস নেই। ওর সারা মন জুড়ে কেবল শিলা। শিলার  আবেশ তাকে সারাক্ষণ ঘিরে রাখে। 

বিল্ডিংয়ের কাজের অগ্রগতি দেখার জন্য একদিন মহিলা মালিক আসলেন। ইলেকট্রিশিয়ানের ডাক পড়ল। রুবেল দেখা করতে গিয়ে চমকে উঠল। খুব চেনা চেনা লাগছে। কাছে আসার পরই দুজন দুজনকে চিনতে পারল। কিন্তু অন্য লোকজনের সামনে দুজনই ফরমাল আচরণ করল। বাসার মালিককে কাজের অগ্রগতি বুঝিয়ে দেওয়ার কাজটাই রুবেল করলো। শিলা বহু কষ্টে নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করে সেদিনের মতো চলে আসলো।

প্রায় সতেরো বছর পর দুজন দুজনকে দেখলো। ছোট বেলার অনুভূতিগুলো এত দিনে বাড়তে বাড়তে একেবারে  গহীন হয়ে গেছে। শিলার মনে জেদ চাপতে থাকে। ভাবতে থাকে এতদিন পর যখন তাকে পেয়েছে জীবনের বাকি সময় তাকে নিয়েই কাটিয়ে দেবে। এই সমাজ, সংসার কিছুই তার কাছে গুরুত্বপূর্ণ না। স্বামী সন্তান ছেড়ে গেলে কী হবে এই নিয়ে তার বোধ কাজ করছে না। কোনো দায়িত্ববোধের তোয়াক্কা করাটাও তার মাথায় আসছে না। 

শিলা নিজেকে যুক্তি দেয়, জীবনের প্রায় অর্ধেকটা সময় কাটিয়ে দিয়েছে মিথ্যাকে আশ্রয় করে। কখনও তার স্বামী কিংবা সংসারকে ভালোবাসতে পারেনি। বাধ্য হয়েই এখানে থাকা। আর এভাবে থাকা যায় না। মনের কাছে, সত্যের কাছেই আত্মসমর্পণ করা উচিত। ছেলেমেয়েদের বাবা আছে। আপাতদৃষ্টিতে তাদের ছেড়ে যাওয়াটা সবার কাছে যদিও অপরাধ বলে গণ্য হবে, কিন্তু এভাবে ইচ্ছের বিরুদ্ধে জীবনটাকে নষ্ট করার কোনো মানেও সে খুঁজে পেল না সে। তাই সমস্ত পিছুটান, সমাজে, সংস্কার মুছে ফেলে নতুন করে জীবনটাকে তার দৃষ্টিতে, সত্যের দিকে টেনে নেওয়াটাই উচিত মনে হলো।

পরদিন শিলার স্বামী বাড়ি থেকে যাবার পর সে সোজা বিল্ডিংয়ে গেল। সেখান থেকে রুবেলকে সাথে নিয়ে একটা রেস্টুরেন্টে বসলো। তারপর তার এত বছরের জমানো সব কথা তাকে বলল। 

রুবেল সব শুনে বললো, “আমিও এতদিন তোমার অপেক্ষায় ছিলাম। সংসার করিনি। অবশেষে দেখা পেলাম। দেখো শিলা, তখন আমি ছোট ছিলাম। তাই তোমাকে ধরে রাখতে পারিনি। কিন্তু এখন আমার সাহসটা আছে। তুমি চাইলে আমি না করব না।”

শিলা রুবেলের হাত ধরে বললো, “তোমাকে আমি আর হারাতে চাই না। আমি আর বাড়ি ফিরে যাব না। একেবারেই মনস্থির করে এসেছি।”

ফারুক সাহেব খোঁজ নিয়ে জানতে পারলেন তার নতুন বাসার ইলেকট্রিশিয়ানের সঙ্গে শিলা বেরিয়েছে। শিলার বাপের বাড়িতে তার কোনো খোঁজ পাওয়া যায়নি। রুবেলকেও পাওয়া যাচ্ছে না। 

শিলা কি মা হতে পারেনি? সে কি প্রেমিকাই থেকে গেছে? সাজানো সংসার ফেলে শিলা কি তার ‘আপন ঠিকানায়’ ফিরে গেছে? এই প্রশ্নের জবাব মানুষ ভেদে সবসময়ই ভিন্ন ভিন্ন হয়।


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]