বৃহস্পতিবার ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০ ১৫ ফাল্গুন ১৪২৬
 
দক্ষিণ এশিয়া
পাকিস্তানের গোয়াদর বন্দর দিয়ে আফগানিস্তানের ট্রানজিট কার্গো চলাচল শুরু
পাকিস্তানের গোয়াদর বন্দর দিয়ে আফগানিস্তানের ট্রানজিট কার্গো চলাচল শুরু





গালফ টুডে
Friday, Jan 17, 2020, 4:30 pm
 @palabadalnet

পাকিস্তানের সদ্য চালু হওয়া দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলের গোয়াদর সমুদ্রবন্দর স্থলবেষ্টিত আফগানিস্তান থেকে আসা-যাওয়া করা ট্রানজিট কার্গোগুলোর ব্যবস্থাপনার কাজ শুরু করেছে। এর মাধ্যমে ইসলামাবাদের সাথে চীনের বহু বিলিয়ন ডলারের সহযোগিতায় নির্মিত বন্দরটির গুরুত্বপূর্ণ অর্জনের সূচনা হলো। বুধবার এক রিপোর্টে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কর্মকর্তারা জানিয়েছেন আফগান কার্গো ভর্তি প্রথম জাহাজটি মঙ্গলবার গোয়াদর পৌঁছায়। কন্টেইনারগুলোকে আফগানিস্তানে নেয়ার জন্য ট্রাকে লোড করা হবে এবং পাকিস্তানের সীমান্তবর্তী চামান শহর দিয়ে সেগুলো আফগানিস্তানে নেয়া হবে। ভিওএ তাদের রিপোর্টে এ তথ্য জানিয়েছে।

কাবুল ঐতিহ্যগতভাবে সড়ক পরিবহনের জন্য পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে যাওয়া সড়কগুলোর উপর নির্ভর করেছে। ইসলামাবাদের সাথে দ্বিপাক্ষিক চুক্তির অধীনে মূলত দক্ষিণাঞ্চলের করাচি বন্দর এবং পোর্ট কাসিম বন্দর দুটি তারা ব্যবহার করে আসছে।

সাম্প্রতিককালে চীনের আর্থিক ও নির্মাণ প্রচেষ্টা যদিও কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ আরব সাগরের মধ্যে অবস্থিত গোয়াদর গভীর সমুদ্র বন্দরটিকে চালু করে দিয়েছে, যেটার মাধ্যমে আফগানিস্তানের জন্য পণ্য পরিবহনের দূরত্ব অনেক কমে গেছে এবং দ্রুত আফগানিস্তানে পণ্য পরিবহন এখন সম্ভব হবে।

এই বন্দরটি হলো চায়না-পাকিস্তান ইকোনমিক করিডোরের (সিপিইসি) প্রাণকেন্দ্র এবং এই প্রকল্পের অধীনে পাকিস্তানে সড়ক, বিদ্যুৎ প্ল্যান্ট, অর্থনৈতিক জোন এবং গোয়াদরে বড় ধরণের বিমানবন্দর তৈরি হচ্ছে, যেটা এ অঞ্চলের দুই মিত্র দেশের মধ্যে সংযোগ আরও উন্নত করবে। বিশাল এই প্রকল্পকে বেইজিংয়ের ট্রিলিয়ন ডলারের বেল্ট অ্যাণ্ড রোড ইনিশিয়েটিভ প্রকল্পের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে, যেটার অধীনে পাকিস্তানে গত ছয় বছরে ৩০ বিলিয়ন ডলারের সরাসরি বিনিয়োগ হযেছে, আরও এসেছে কোমল ঋণ ও অনুদান।

সিপিইসি এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মাধ্যমে আঞ্চলিক অর্থনৈতিক সম্পর্ককে এগিয়ে নেয়া হচ্ছে বলে মন্তব্য করেছে ইসলামাবাদের চীনা দূতাবাস। গোয়াদর বন্দরে প্রথম আফগান জাহাজের আগমনের সময় তারা এ মন্তব্য করেছে।

ইসলামাবাদের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আফগানিস্তানের রফতানির প্রায় ৪৭ শতাংশই পাকিস্তানের মধ্য দিয়ে হয়ে থাকে। অন্যদিকে আফগান ট্রানজিট বাণিজ্যের ৬০ শতাংশ পরিবহন করা হয় পাকিস্তানের উত্তরপশ্চিমাঞ্চলের সীমান্তবর্তী তোরখাম এলাকা নিয়ে। তারা বলেন, গোয়াদর বন্দর দুই দেশের মধ্যে ট্রানজিট বাণিজ্যের পরিমাণ অনেক বাড়িয়ে দেবে।

চীন ও পাকিস্তান বলেছে, সিপিইসিকে আফগানিস্তানের সাথে সংযুক্ত করার পরিকল্পনাও তাদের রয়েছে যখন যুদ্ধ বিধ্বস্ত প্রতিবেশী দেশটির নিরাপত্তা পরিস্থিতির উন্নতি হবে।

পালাবদল/এমএম


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]