রবিবার ৩০ আগস্ট ২০২৬ ১৫ ভাদ্র ১৪৩৩
রবিবার ৩০ আগস্ট ২০২৬
 
মতামত
ইরানের অনমনীয় নেতৃত্ব ও আরব দেশগুলোর বিভ্রমের মৃত্যু





এলাহী নেওয়াজ খান
Saturday, 14 March, 2026
11:26 PM
 @palabadalnet

এলাহী নেওয়াজ খান: সাবেক সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন

এলাহী নেওয়াজ খান: সাবেক সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন

ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ হামলা এবং ইরানের দিক থেকে প্রতিশোধমূলক পাল্টা হামলায় বিশ্ববাসী বেশ কয়েকটি রূঢ় বাস্তবতার মুখোমুখি হয়েছে। প্রথমত, ইমাম রুহুল্লাহ খামেনির ভবিষ্যদ্বাণী ফলে যাওয়া। দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তির প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করা। তৃতীয়ত, ইরানের প্রযুক্তিগত উন্নয়ন এবং সামরিক সক্ষমতা ও নেতৃত্বের অবিচল দৃঢ়তা। চতুর্থত, এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্রের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে বিশ্বের প্রাচীনতম দুই সভ্যতার বিরুদ্ধে যুদ্ধে অবতীর্ণ হওয়া। পঞ্চমত, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর উন্নয়ন ও প্রশান্তিময় জীবনযাপন কতটা বিভ্রম তা প্রমাণিত হয়েছে; আর এই দেশগুলো কতটা যুক্তরাষ্ট্রের পুতুল ছিল তাও পরিষ্কার হয়ে গেছে। ষষ্ঠত, এই যুদ্ধের ফলে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পুনর্গঠিত হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে। সপ্তমত, মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর উন্নত সমাজের অন্তর্নিহিত বিভ্রমের মৃত্যু ঘটলে আমাদের মতো দেশগুলোয় আসা রেমিট্যান্স প্রবাহে মারাত্মক বিঘ্ন সৃষ্টি হবে, যা দেশকে সামাজিক বিশৃঙ্খলার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

সুতরাং এই যুদ্ধ নিয়ে একটি বাস্তব আলোচনা এখন অপরিহার্য হয়ে পড়েছে। কারণ এর সঙ্গে জড়িয়ে আছে বিশ্বের কোটি কোটি মানুষের ভাগ্য। প্রথমেই ইরানের ইসলামি বিপ্লবের নায়ক এবং সর্বোচ্চ আধ্যাত্মিক নেতা ইমাম রুহুল্লাহ খামেনির ৩৭ বছর আগের একটি ভবিষ্যদ্বাণী কীভাবে বাস্তবায়িত হলো তা নিয়ে আলোচনা করা যাক। সম্ভবত এটা ছিল ১৯৮৮ সালের দিকের একটি ঘটনা। তখন ইরান সফররত বাংলাদেশি সাংবাদিক প্রতিনিধিদলের সঙ্গে আলাপকালে ইমাম খামেনি কমিউনিস্ট সোভিয়েত ইউনিয়ন প্রসঙ্গে বলেছিলেন, একটি মতবাদের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা দেশটি এখন একটি পাকা আপেল, তা যেকোনো সময় খসে পড়বে। সুতরাং সোভিয়েত ইউনিয়ন নিয়ে ভয় পাওয়ার কিছু নেই; কিন্তু প্রকৃতপক্ষে আমাদের জন্য মূল হুমকি হচ্ছে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র। এই কথাগুলো আমাকে বলেছিলেন ওই প্রতিনিধিদলের অন্যতম সদস্য বিখ্যাত সাংবাদিক আলমগীর মহিউদ্দিন, যিনি কিছুদিন আগে ইন্তেকাল করেছেন। আজ মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাত দেখে ওই মন্তব্যের কথা বারবার মনে পড়ছে।

এটা ছিল এক দূরদর্শী নেতার বাণী। তিনি হয়তো অন্তর্দৃষ্টি দিয়ে ভবিষ্যৎটা দেখতে পারছিলেন। ঘটনাগুলো ঘটে চলেছে সেভাবেই। কী আশ্চর্যের বিষয়, ওই মন্তব্য করার দুবছরের মাথায় ১৯৯০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়ন ভেঙে খানখান হয়ে যায়। সেইসঙ্গে পতন ঘটে অকল্পনীয় শক্তিশালী এক কমিউনিস্ট সাম্রাজ্যের। আবার একই সঙ্গে সোভিয়েত ইউনিয়নের এই ভেঙে যাওয়ার ঘটনার মধ্য দিয়েই স্নায়ুযুদ্ধের পরিসমাপ্তি ঘটে। আর এখন আমরা ইরানের ওপর যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের যৌথ আক্রমণের মধ্য দিয়ে সেই ভবিষ্যদ্বাণীর বাস্তবায়ন দেখতে পাচ্ছি।

দ্বিতীয়ত, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের প্রতারণামূলক ব্যাপক আক্রমণের মুখে দিশাহারা না হয়ে ইরান প্রতিশোধমূলক যে পাল্টা হামলা শুরু করেছে, তাতে পশ্চিমা সভ্যতার ধারক-বাহকরা হতভম্ব হয়ে পড়েছে। তারা ভাবতেই পারেনি, ইরান শুধু আক্রমণ প্রতিরোধ করা নয়, বরং নিজেই আরো বেশি আক্রমণাত্মক হয়ে উঠবে—যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সব হিসাব-নিকাশ পাল্টে দেবে। তারা ভেবেছিল, সর্বোচ্চ নেতা ইমাম খামেনিসহ শীর্ষস্থানীয় সামরিক ও বেসামরিক নেতৃত্বকে হত্যা এবং প্রচণ্ড ধ্বংসযজ্ঞ চালালেই ইরান আত্মসমর্পণ করে বসবে। কিন্তু দেশটি মধ্যপ্রাচ্যে ছড়িয়ে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক ঘাঁটি এবং ইসরাইলের গুরুত্বপূর্ণ সামরিক ও বেসামরিক স্থাপনায় ধ্বংসাত্মক হামলা চালিয়ে বুঝিয়ে দিয়েছে দেশটি ইরাক কিংবা ভেনেজুয়েলা নয়।

যুক্তরাষ্ট্রের মতো পরাশক্তির বিরুদ্ধে ইরানের আক্রমণাত্মক সামরিক তৎপরতা আমাদের স্মরণ করিয়ে দিচ্ছে অতীতের পারস্য সভ্যতার কথা। তখন পৃথিবী দুভাবে বিভক্ত ছিল—একদিকে পারস্য সাম্রাজ্য এবং অন্যদিকে রোমান সাম্রাজ্য। তাছাড়া প্রায় সাত হাজার বছরের সভ্যতার ইতিহাস আছে যে জাতির, সে জাতি সহজে পরাজয় মেনে নেবে, তা তো ভাবাই যায় না। বরং আধুনিক ইলেকট্রনিক যুদ্ধের সব অস্ত্রশস্ত্র ও কৌশল তারা এমনভাবে করায়ত্ত করেছে, যা আমেরিকা বুঝতে পারেনি। ইরাক থেকে শিক্ষা নিয়ে ইরান তার কমান্ড স্ট্রাকচার এমনভাবে সাজিয়ে রেখেছে, যা পশ্চিমাদের গোলকধাঁধায় ফেলে দিয়েছে।

অন্যদিকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা ইমাম খামেনি ঐতিহাসিক মুতার যুদ্ধের অনুকরণে আগেভাগেই নেতৃত্ব সাজিয়ে রেখেছিলেন। অনেকে জানেন রাসুল পাক (সা.)-এর জীবদ্দশায় সংঘটিত এই যুদ্ধ শুরুর আগেই তিনি তিনজন সেনাপতি নির্ধারণ করে দিয়েছিলেন। অর্থাৎ একজন শহীদ হলে অপরজন তাঁর স্থলাভিষিক্ত হবেন। তাঁরা ছিলেন যথাক্রমে হজরত জায়েদ বিন হাদিসা (রা.), হজরত জাফর ইবনে আবি তালেব (রা.) ও হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে রাওয়াহা। সে যুদ্ধে তাঁরা তিনজন পর্যায়ক্রমে শহীদ হলে সেনাপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন হজরত খালিদ বিন ওয়ালিদ। ঠিক এভাবেই ইমাম খামেনি দায়িত্ব নির্ধারণ করে গেছেন, যা হয়তো যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের কল্পনায়ও ছিল না।

তৃতীয়ত, সংকট মোচনের লক্ষ্যে ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্র আলোচনা চালিয়ে যাওয়ার পাশাপাশি গোপনে ইসরাইলের সঙ্গে শলাপরামর্শ করে আক্রমণ করার পরিকল্পনা এবং অতঃপর আক্রমণ করার ঘটনা কতটা প্রতারণামূলক হতে পারে, তা দেখে বিশ্ববাসী হতবাক। যুদ্ধ চলাকালে প্রতারণা কিংবা নানা কৌশল অবলম্বনের হয়তো একটা যৌক্তিকতা থাকতে পারে; কিন্তু শত্রুকে আলোচনার টেবিলে বসিয়ে রেখে আক্রমণ করা চরম প্রতারণা ছাড়া আর কিছু নয়। ইরানে আক্রমণের ক্ষেত্রে প্রতারণামূলক অবস্থান গ্রহণ করায় যুক্তরাষ্ট্রের বিশ্বাসযোগ্যতা বাকি দুনিয়ার কাছে শূন্যতে নেমে এসেছে।

চতুর্থত, এই প্রথম যুক্তরাষ্ট্র প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে ইরান ও চীনের মতো প্রাচীন সভ্যতার ঐতিহ্যবাহী দুটি দেশকে আক্রমণের লক্ষ্যবস্তুতে পরিণত করেছে, যাদের রয়েছে পাঁচ থেকে সাত হাজার বছরের সভ্যতার ইতিহাস। তাই অনেক বিশেষজ্ঞ এখন বলছেন, মূলত যুক্তরাষ্ট্র চীনকে শায়েস্তা করতে ইরানের ওপর হামলা চালিয়েছে। এটা আজ দিবালোকের মতো সত্য, চীন ইরানে তার অত্যাধুনিক সমরাস্ত্র সরবরাহ করেছে এবং এই যুদ্ধ চলাকালেও তা অব্যাহত রেখেছে। এ ব্যাপারে আন্তর্জাতিক বিশেষজ্ঞদের অভিমত হচ্ছে, মধ্যপ্রাচ্যে ইরান ক্রমাগতভাবে চীনের ভূরাজনৈতিক অংশীদার হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেছে। উভয় দেশ এমন চুক্তি করেছে, যার মাধ্যমে চীন ইরানকে সুপারসনিক মিসাইল প্রদান করতে পারবে যেকোনো সময়। সুতরাং এই প্রেক্ষাপটে যুক্তরাষ্ট্র মনে করে, কখনো যদি চীনের সঙ্গে তার যুদ্ধ বেধে যায়, তখন ইরান গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে—এই আশঙ্কা থেকে ইরানের রেজিম চেঞ্জ করার পরিকল্পনা হাতে নিয়ে এই হামলা চালানো হয়েছে। অর্থাৎ যুক্তরাষ্ট্র যদি ইরানের রেজিম চেঞ্জ করতে পারে, তাহলে চীনের ‘সাপ্লাই চেইন’ এবং বেল্ট অ্যান্ড রোড ইনিশিয়েটিভের মারাত্মক ক্ষতি সাধিত হবে, যা চীনকে দুর্বল করে দেবে। এ ব্যাপারে আরো বিস্তারিত আলোচনা সুযোগ রয়েছে।

পঞ্চমত, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি এই যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর ইরানের প্রত্যাঘাতে কেবল মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোয় অবস্থিত মার্কিন সামরিক ঘাঁটিই বিধ্বস্ত হয়নি, বরং বিমানবন্দরসহ অনেক গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনাও ধ্বংস হয়েছে। সেইসঙ্গে ওই সব দেশে নেমে এসেছে দুর্বিষহ দুর্ভোগ। যেমন দুবাইয়ের কথাই ধরা যাক। এটাকে স্বপ্নপুরী হিসেবে গড়ে তোলা হয়েছে। দুনিয়ার সব ধনী ব্যক্তি এখানে বসতি স্থাপন করে স্বর্গসুখ লাভ করে আসছিল। অথচ সাজানো-গোছানো চাকচিক্যময় দুবাইয়ের জীবন বিভ্রম ছাড়া আর কিছু নয়। কোনো কিছু উৎপাদন না করেও সার্ভিস সেক্টর, আবাসন ব্যবসা ও অফুরন্ত বৈদেশিক বিনিয়োগ দুবাইকে সত্যিই শান্তিপুরীতে পরিণত করেছিল। মূলত এটা বাস্তবতা থেকে বিভ্রমের ওপর প্রতিষ্ঠিত। তাই ইরানের ভয়াবহ আক্রমণের ফলে সেই বিভ্রমের মৃত্যু ঘটে গেছে। এখন সেখান থেকে সব ধনী সুখসন্ধানীরা পালাচ্ছে। একই অবস্থা দাঁড়িয়েছে কাতার, ওমানসহ মধ্যপ্রাচ্যের অন্যান্য দেশে। কার্যত প্রতীয়মান হয়, এসব দেশের চাকচিক্যময় জীবন কতটা ফাঁপা।

ষষ্ঠত, মধ্যপ্রাচ্যের ওই সব দেশে অবস্থিত সামরিক ঘাঁটিতে ইরানি হামলার ফলে এখন এটাই স্পষ্ট হয়ে উঠেছে যে, ওই ঘাঁটিগুলো যুক্তরাষ্ট্র নির্মাণ করেছিল ওই সব দেশকে রক্ষা করার জন্য নয়, মূল উদ্দেশ্য ছিল ইসরাইলকে রক্ষা করা। এরই মধ্যে এটা প্রমাণিত হয়েছে, ওই সব ঘাঁটিতে থাকা এয়ার ডিফেন্স সিস্টেম কেবল ইসরাইলকে রক্ষার চেষ্টায় ব্যস্ত ছিল, ওই সব দেশকে নয়। সেইসঙ্গে এটাও প্রমাণিত হয়েছে, ওই দেশগুলো মূলত যুক্তরাষ্ট্রের করদ রাজ্যের মতো ছিল, কোনো সার্বভৌমত্ব ছিল না। ইরানের হামলার পর বিশ্ববাসীর সামনে এই বাস্তবতা এখন স্পষ্ট। সুতরাং এই পটভূমিতে মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর সার্বভৌম রাষ্ট্র হিসেবে পুনর্গঠিত হওয়ার সুযোগ সৃষ্টি হয়েছে বলেও অনেকে মনে করছেন।

সপ্তমত, যুদ্ধ যদি দীর্ঘায়িত হয় এবং মধ্যপ্রাচ্যের দেশগুলোর ওপর ইরানের প্রতিশোধমূলক আক্রমণ অব্যাহত থাকে, তাহলে সেসব দেশে কর্মরত লাখো শ্রমিক বেকার হয়ে পড়বে। এর ফলে আমাদের মতো দেশে আসা রেমিট্যান্স প্রবাহ বন্ধ হয়ে যাবে এবং আমাদের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভে প্রচণ্ড ঘাটতি দেখা যাবে। শুধু তা-ই নয়, জ্বালানি তেলের সংকট সৃষ্টি হবে। বৈদেশিক বাণিজ্য মন্থর হয়ে পড়বে, যা আমাদের অর্থনীতিকে পঙ্গু করে ফেলতে পারে এবং সৃষ্টি হতে পারে সামাজিক নৈরাজ্য।

কিন্তু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হচ্ছে, ইরান তার নিরাপত্তা নিশ্চিত না করা পর্যন্ত যুদ্ধ থামাবে না, তাতে যুক্তরাষ্ট্র যতই হুমকি দিক না কেন। কারণ এটা ইরানের জন্য অস্তিত্বের লড়াই। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের জন্য এই লড়াই হচ্ছে ভূরাজনৈতিক সুবিধা পাওয়ার অভিসন্ধি থেকে উৎসারিত। সুতরাং পুরোপুরি লক্ষ্য হাসিল না হওয়া পর্যন্ত ইরানের পক্ষে যুক্তরাষ্ট্রের হুমকিতে যুদ্ধ থামিয়ে দেওয়া সম্ভব নয়। আর এই যুদ্ধ যদি অব্যাহত থাকে এবং আমার এই লেখা যেদিন প্রকাশিত হবে, সেদিন যুদ্ধ দ্বিতীয় সপ্তাহে পড়বে। তখন যুদ্ধ আরো প্রলম্বিত হওয়ার আশঙ্কা স্পষ্ট হয়ে উঠবে। সেক্ষেত্রে হয় যুক্তরাষ্ট্রকে একটা যৌক্তিক সমঝোতায় আসতে হবে, নতুবা তার একগুঁয়েমির কারণে তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ শুরু হয়ে গেলেও অবাক হওয়ার কিছু থাকবে না।

পরিশেষে আমাদের উপলব্ধি করা দরকার, অতীতের সব সভ্যতাই ধ্বংস হয়েছে একগুঁয়েমির কারণে। আর মানব ইতিহাসই হচ্ছে ক্ষমতার পালাবদলের ইতিহাস। ক্ষমতা কখনো একই স্থানে কেন্দ্রীভূত থাকে না, স্থানান্তরিত হয়; অর্থাৎ এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় শিফট হয়।

এলাহী নেওয়াজ খান: সাবেক সভাপতি, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়ন


  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  
  এই বিভাগের আরো খবর  


Copyright © 2025
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
নির্বাহী সম্পাদক : জিয়াউর রহমান নাজিম
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]