
প্রতীকী ছবি
রাজধানীর কদমতলীর নামা-শ্যামপুর এলাকায় ছিনতাইকারীর ছুরিকাঘাতে আরেক ছিনতাইকারীর প্রাণ গেছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহতের নাম জনি (৩৫)।
আজ শনিবার ভোরে নামা শ্যামপুর বড়ইতলা ভাঙা ব্রিজের পাশে এ ঘটনা ঘটে। মুমূর্ষু অবস্থায় পুলিশ সদস্যরা তাকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে ভোর সাড়ে ৫টার দিকে চিকিৎসকরা তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে কদমতলী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) সজিব কুমার বাড়ৈ জানান, ভোরে ভাঙা ব্রিজের পাশে দুই পথচারীকে ঘেরাও করে তিন ছিনতাইকারী। এর মধ্যে এক ছিনতাইকারী এক পথচারীকে জাপটে ধরে। এ সময় তার কাছ থেকে জিনিসপত্র টাকা পয়সা ছিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে অন্য ছিনতাইকারীরা।
তিনি জানান, এক পর্যায়ে সুইচ গিয়ার দিয়ে পথচারীকে আঘাত করতে যায় ছিনতাইকারীদের একজন। এ সময় পেছন থেকে জাপটে ধরা ছিনতাইকারী ছুরিকাঘাতে আহত হয়। পরে তাকে সড়কে ফেলে রেখে অন্য দুই ছিনতাইকারী পালিয়ে যায়। উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে সেখানে চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, তার মরদেহ মর্গে রাখা হয়েছে। বিস্তারিত তদন্ত করা হচ্ছে।
নিহত জনির স্ত্রী স্বপ্না বেগম বলেন, তাদের বাসা শ্যামপুর ব্রিজ নবারুণ গলিতে। তার স্বামী ব্যাটারিচালিত রিকশার চালক ছিলেন। রাতে রিকশা নিয়ে বের হয়েছিলেন। সকালে পুলিশের মাধ্যমে জানতে পারেন, তার স্বামী ছুরিকাঘাতে আহত হয়েছেন। এরপর ঢাকা মেডিকেলে এসে স্বামীর মরদেহ দেখতে পাই।
কদমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ আশরাফুজ্জামান বলেন, পুলিশের প্রাথমিক তদন্তের ভিত্তিতে জনিকে একজন ছিনতাইকারী হিসেবে শনাক্ত করা হয়েছে।
জনি একজন ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক ছিলেন-তার স্ত্রীর এমন দাবির বিষয়ে জানতে চাইলে ওসি বলেন, নিকটস্থ ভবনের নিরাপত্তাকর্মীসহ প্রত্যক্ষদর্শীরা পুলিশকে জানিয়েছেন, সেখানে একটি ছিনতাইয়ের ঘটনা ঘটেছিল।
তিনি আরও যোগ করেন, ঘটনাস্থলে কোনো অটোরিকশা পাওয়া যায়নি।
পালাবদল/এসএ