
সংগৃহীত ছবি
প্রথমে করলা ভাজা দিয়ে অনেকেই এক থালা ভাত খেয়ে ফেলেন। আবার অনেকে রয়েছেন, যাদের একেবারেই পছন্দ নয় করলা। কিন্তু এই সবজিকে শুধু স্বাদ দিয়ে বিচার করলে চলবে না। করলা কদর এর পুষ্টির জন্য।
করলা খেলে কোন কোন রোগের ঝুঁকি কমে?
রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ
করলার মধ্যে polypeptide-p এবং charantin-এর মতো কিছু যৌগ রয়েছে। এগুলো ইনসুলিন সেনসিটিভি বাড়াতে এবং রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে। তাই ডায়াবিটিসের রোগীদের জন্য এত উপকারী করলা।
হজমশক্তি বাড়ায়
ফাইবারে ভরপুর হওয়ায় করলা হজমে সহায়তা করে। এ কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে। রোজের পাতে ফাইবার না থাকলে হজমের সমস্যা বাড়বেই। তাই সব সবজির সঙ্গে করলাও রাখা দরকার।
পুষ্টিতে ভরপুর
করলার মধ্যে ভিটামিন এ, সি এবং ফোলেট রয়েছে। এ ছাড়াও পটাশিয়াম ও ম্যাগনেশিয়ামের মতো মিনারেল পাওয়া যায়। এই সব উপাদানগুলো সামগ্রিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করে।
অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ
করলার মধ্যে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট পাওয়া যায়। এই অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায় এবং প্রদাহ প্রতিরোধ করে। হৃদরোগ, ক্যান্সারের মতো বিভিন্ন ক্রনিক অসুখ প্রতিরোধে সাহায্য করে করলা।
ইমিউনিটি বুস্টার
ভিটামিন সি-তে ভরপুর করলা। এটি শরীরে প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। জ্বর-সর্দি-কাশির মতো সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে এই সবজি। এ ছাড়া যে কোনও ধরনের সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করে করলা।
করলা কি রোজ খাওয়া যায়?
করলা পুষ্টিতে ভরপুর হলেও রোজ খাওয়া ঠিক নয়। তবে ব্যালান্সড ডায়েটের সঙ্গে করলা রাখলে উপকারই পাবেন। যদি করলায় অ্যালার্জি না থাকে, তা হলে এই সবজি নিয়মিত খাওয়া যায়।
পালাবদল/এমএ