মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬ ১০ ভাদ্র ১৪৩৩
মঙ্গলবার ২৫ আগস্ট ২০২৬
 
দক্ষিণ এশিয়া
ভারতীয়দের নিশানা করেই কি এইচ-১বি ভিসার ফি ১ লাখ ডলারের বেশি করতে যাচ্ছে আমেরিকা





এনডিটিভি
Tuesday, 25 August, 2026
12:55 AM
 @palabadalnet

আমেরিকার পতাকার পাশে এইচ-১বি ভিসার আবেদনপত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স

আমেরিকার পতাকার পাশে এইচ-১বি ভিসার আবেদনপত্র। ফাইল ছবি: রয়টার্স

আমেরিকার দক্ষ বিদেশি কর্মীদের জন্য এইচ-১বি ভিসার ফি বাড়িয়ে ১ লাখ ৩ হাজার ২৬৫ ডলার করার পরিকল্পনা করছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসন। আজ সোমবার প্রকাশিত মার্কিন ফেডারেল রেজিস্টারের তথ্য থেকে এ প্রস্তাবের কথা জানা গেছে। একই সঙ্গে এফ-১ ভিসার শিক্ষার্থীদের অপশনাল প্র্যাকটিক্যাল ট্রেনিং (ওপিটি) কর্মসূচির জন্যও নতুন ফি আরোপের পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

প্রস্তাবিত নিয়ম কার্যকর হলে আমেরিকাে বিদেশিদের কাজ করার খরচ বাড়বে। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে কর্মক্ষেত্রে যেতে থাকা শিক্ষার্থী ও এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মীদের নিয়োগকারী প্রতিষ্ঠানগুলোকেও বাড়তি খরচ বহন করতে হবে বলে জানিয়েছে অভিবাসনবিষয়ক প্রতিষ্ঠান ফ্র্যাগোমেন।

বেশি চাপে পড়তে পারেন ভারতীয়রা

নতুন ফি ভারতীয়দের ওপর বড় প্রভাব ফেলতে পারে। কারণ, আমেরিকাে এইচ-১বি ভিসার সুবিধাভোগীদের ৭০ শতাংশের বেশি ভারতীয়।

২০২৪ সালে আমেরিকার নাগরিকত্ব ও অভিবাসন পরিষেবা (ইউএসসিআইএস) ৩ লাখ ৯৯ হাজার ৪০২টি এইচ-১বি আবেদন অনুমোদন করেছিল। এর মধ্যে ভারতীয় বংশোদ্ভূত ব্যক্তির হার ছিল ৭১ শতাংশ।

অভিবাসনবিষয়ক আইনি প্রতিষ্ঠান ফ্র্যাগোমেন জানিয়েছে, প্রস্তাবগুলো ইতিমধ্যে হোয়াইট হাউসের অফিস অব ম্যানেজমেন্ট অ্যান্ড বাজেটের (ওএমবি) পর্যালোচনার ধাপ পার হয়েছে।

ওপিটিতেও ১ লাখ ডলারের ফি

ফ্র্যাগোমেনের এক নথিতে বলা হয়েছে, ওপিটি আবেদনের জন্য ১ লাখ ডলার ফি প্রস্তাব করতে পারে আমেরিকার হোমল্যান্ড সিকিউরিটি বিভাগ (ডিএইচএস)। নির্দিষ্ট কিছু এইচ-১বি আবেদনের ওপরও ফি আরোপের প্রস্তাব করা হয়েছে।

তবে এসব প্রস্তাবের বিস্তারিত এখনো প্রকাশ করা হয়নি। পরে আনুষ্ঠানিকভাবে তা প্রকাশ করা হবে।

এইচ-১বি কর্মীদের ৬০ দিনের সুযোগও কমতে পারে

নতুন ফি আরোপের পাশাপাশি এইচ-১বি ভিসাধারী কর্মীদের জন্য বিদ্যমান ৬০ দিনের গ্রেস পিরিয়ড বাতিলের প্রস্তাবও করেছে ডিএইচএস। চলতি মাসের শুরুতে এ প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে।

বর্তমানে এইচ-১বি কর্মীদের চাকরি শেষ হয়ে গেলে নির্দিষ্ট শর্তে নতুন চাকরি খোঁজার জন্য সর্বোচ্চ ৬০ দিন সময় থাকে। প্রস্তাবিত নিয়ম চূড়ান্ত হলে এ সুযোগ থাকবে না। ফলে যেসব কর্মীর অভিবাসন-সংক্রান্ত অবস্থার ভিত্তি ছিল ওই চাকরি, চাকরি শেষ হলে তাঁদের আমেরিকা ছাড়তে হতে পারে।

এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের নির্ভরশীলদেরও প্রায় তাৎক্ষণিকভাবে আমেরিকা ছাড়তে হতে পারে।

সাম্প্রতিক মার্কিন জনশুমারির তথ্যের ভিত্তিতে করা হিসাব অনুযায়ী, আমেরিকাে ভারতীয় বংশোদ্ভূত মানুষের সংখ্যা ৫২ লাখের বেশি।

পালাবদল/এসএ


  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  
  এই বিভাগের আরো খবর  


Copyright © 2025
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
নির্বাহী সম্পাদক : জিয়াউর রহমান নাজিম
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]