
বৈঠক অন্যান্যদের সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। ছবি: বিএনপি
রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন যমুনায় যুগপৎ আন্দোলনে অংশ নেওয়া বিএনপির মিত্র রাজনৈতিক দল ও জোটের শীর্ষ নেতাদের সঙ্গে বৈঠক করেছেন বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান।
সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে সাতটায় শুরু হয়ে প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে চলা বৈঠকে তিনি বলেছেন, আওয়ামী লীগ আমলে সরকার পতনের যুগপৎ আন্দোলনে শরিক দলগুলোর মধ্যে মতভিন্নতা থাকলেও ‘কোনো বিভেদ নেই’।
“আমরা একসাথে আছি, আমরা একসাথে ছিলাম...ইনশল্লাহ আমরা ভবিষ্যতেও একসাথে থাকবো। আমাদের মধ্যে ডিফেন্স অফ অপিনিয়ন হতে পারে, কিন্তু ভুল বোঝাবুঝির কোন কারণ আমাদের মধ্যে আছে বলে আমি মনে করি না,” বলেন প্রধানমন্ত্রী।
শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে করা আন্দোলনে 'গুপ্তরা' রাজপথে ছিল না বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
“আজকে অনেকেই দাবি করে কারো নাম আমি উল্লেখ করতে চাই না যাদেরকে একটি শব্দ ‘গুপ্ত’ একটা শব্দ ব্যবহার করলেই মানুষ সাধারণ মানুষও তাদেরকে চিনে। এদেরকে কিন্তু ওই সময়ে আমরা অনেক খুঁজেছি তাদেরকে আমরা পাইনি, আমি পাইনি দূরে থেকে। আপনারা কি কেউ পেয়েছিলেন রাজপথে তাদেরকে? তাদেরকে কিন্তু রাজপথে আমরা দেখিনি,” বলেন তারেক রহমান।
নির্বাচনে বিজয়ী হয়ে ক্ষমতায় বসার পর গত পাঁচ মাসে বৈঠকে বসতে না পারায় মিত্র দলের নেতাদের প্রতি দুঃখপ্রকাশ করেন তিনি।
অতীতের মতো ভবিষ্যতেও লক্ষ্য পূরণে একসঙ্গে কাজ করার আহ্বান জানান।
“দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখার জন্য আমাদেরকে যেকোন মূল্যে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে, দেশের মানুষের আস্থা ধরে রাখার জন্য আমরা সকলে একসাথে কাজ করব। কারণ জনগণের প্রত্যাশা আমাদের কাছে। জনগণ প্রত্যাশা নিয়ে আমাদেরকে দায়িত্ব দিয়েছে,” বলেন প্রধানমন্ত্রী।
“আসুন আগে আমরা দায়িত্বটা পালন করি। তারপর আমরা নিজেদেরকে নিয়ে ভাবি,” যোগ করেন তারেক রহমান।
বৈঠকে বিএনপি নেতারা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন নাগরিক ঐক্যের মাহবুবুর রহমান মান্না, গণসংহতি আন্দোলনের জোনায়েদ সাকি, বিপ্লবী ওয়ার্কার্স পার্টির সাইফুল হক, জাতীয় পার্টি (কাজী জাফর) মোস্তফা জামাল হায়দার, বিজেপির আন্দালিব রহমান পার্থ, গণফোরামের সুব্রত চৌধুরী এবং ভাসানী জনশক্তি পার্টির শেখ রফিকুল ইসলাম বাবলু।
পালাবদল/এসএ