
২০২৬ সালের মে মাসে বেইজিংয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। ১৪ মে তোলা ছবি।
ওয়াশিংটনে এ সপ্তাহে মুখোমুখি বসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। বিশ্বের দুই বৃহৎ অর্থনীতির নেতাদের এই বৈঠক ঘিরে বিভিন্ন মহলে নানা প্রত্যাশা। চলমান বাণিজ্য বিরোধ কী আদৌ কমবে?
তবে এর আগে মে মাসে বেইজিংয়ে দুই নেতার বৈঠকে বড় কোনো অগ্রগতি হয়নি।
বার্লিনভিত্তিক চীনবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান মেরিকসের পরিচালক মিক্কো হুওতারি গত সপ্তাহে জানিয়েছেন, বেইজিংয়ের ধারণা-ভবিষ্যতেও যুক্তরাষ্ট্র ও চীন একে অপরকে নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা করবে।
তার ভাষায়, “শি জিনপিংয়ের জন্য ওয়াশিংটনে কোনো বড় ধরনের সমঝোতা জরুরি নয়। বরং তার প্রয়োজন আরও সময়। একইভাবে ওয়াশিংটনও চীনের থেকে আরেকটু সময় নেওয়ার চেষ্টা করবে। দুই দেশই ‘কৌশলগত অচলাবস্থা’ বজায় রেখে নিজেদের মধ্যে আলোচনা চালাবে বলে মনে হচ্ছে।”
বাণিজ্যই কি আলোচনার কেন্দ্রে?
গত বছর যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য বিরোধ তীব্র হওয়ার পর দুই দেশ শুল্ক আরোপ ও পাল্টা শুল্কের পথে হাঁটে। পরে একাধিক আলোচনার মাধ্যমে উত্তেজনা কিছুটা কমানো হয়। বর্তমানে দুই পক্ষের মধ্যে একটি ভঙ্গুর বাণিজ্য সমঝোতা বজায় রয়েছে, যার মেয়াদ নভেম্বর পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে।
ওয়াশিংটনের এবারের আলোচনায় শুল্ক কমানো, চীনা পণ্যের বাজারে প্রবেশ এবং যুক্তরাষ্ট্রের কৃষি ও শিল্পপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর বিষয়গুলো গুরুত্ব পেতে পারে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন। একই সঙ্গে বিরল খনিজ বা রেয়ার আর্থের সরবরাহও গুরুত্বপূর্ণ আলোচ্য হতে পারে।
পালাবদল/এসএ