
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি রাজারবাগে নিজ বাসা থেকে সাংবাদিক দম্পতি সাগর সারোয়ার ও মেহেরুন রুনির মরদেহ উদ্ধার হয়। ফাইল ছবি
সাংবাদিক দম্পতি সাগর সরওয়ার ও মেহেরুন রুনি হত্যাকাণ্ডে একজন সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্বের সম্পৃক্ততার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে জানিয়েছেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালের চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম।
তবে মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে অভিযুক্ত ব্যক্তির নাম প্রকাশ করেননি তিনি।
আজ রোববার নিজ কার্যালয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান চিফ প্রসিকিউটর।
আরেক প্রশ্নের জবাবে আমিনুল ইসলাম বলেন, মানবতাবিরোধী অপরাধের আওতাভুক্ত গুমের ঘটনাগুলোর বিচার ট্রাইব্যুনালে হবে। এছাড়া বিচ্ছিন্ন গুমের ঘটনাগুলোর বিচার সংশ্লিষ্ট আদালতে হবে।
প্রসঙ্গত, এর আগে বৃহস্পতিবার এক প্রসিকিউটর জানান, অন্য একটি মামলার তদন্তে সাগর-রুনি হত্যাকাণ্ডের বিষয়ে একটি সূত্র পেয়েছেন তদন্তকারীরা।
২০১২ সালের ১১ ফেব্রুয়ারি পশ্চিম রাজাবাজারে নিজেদের ভাড়া বাসায় খুন হন মাছরাঙা টেলিভিশনের বার্তা সম্পাদক সাগর সরওয়ার ও এটিএন বাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক মেহেরুন রুনি।
পরদিন রুনির ভাই শেরেবাংলা নগর থানায় অজ্ঞাতপরিচয় ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে একটি হত্যা মামলা করেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে পিবিআইর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা মো. আজিজুল হক কোনো মন্তব্য করেননি। তিনি বলেন, তদন্ত চলমান।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে তদন্ত-সংশ্লিষ্ট আরেক কর্মকর্তা বলেন, এখন পর্যন্ত আমরা এ ধরনের কোনো তথ্য পাইনি। বিষয়টি নিয়ে প্রসিকিউশন দলের সঙ্গে কথা বলব।
পালাবদল/এসএ