
কিলিয়ান এমবাপে। ছবি: এএফপি
মঙ্গলবার রাতে ফ্রান্সকে প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে তুলতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিয়েছেন কিলিয়ান এমবাপে। সুইডেনের বিরুদ্ধে ফ্রান্সের ৩-০ জয়ে দু’টি গোলই তার। সেই দুই গোলে একাধিক নজির গড়েছেন এমবাপে। টপকে গিয়েছেন ব্রাজ়িলের রোনাল্ডোকে। এখন তার সামনে শুধুই লিয়োনেল মেসি।
নিউ জার্সি স্টেডিয়ামে এমবাপের জোড়া গোল ছাড়াও একটি গোল করেছেন ব্র্যাডলি বার্কোলা। তবে নজর কেড়েছেন এমবাপেই। প্রথম গোলের ক্ষেত্রে তার একারই অবদান রয়েছে। গোলের পর সদ্য মাতৃহারা কোচ দিদিয়ের দেশঁর সঙ্গে উৎসব করেন এমবাপে। দ্বিতীয়ার্ধের আট মিনিটে দলের দ্বিতীয় গোল করেন বার্কোলা। ৭৪ মিনিটে তৃতীয় গোল এমবাপের।
বিশ্বকাপের নকআউটে এত দিন ৯টি করে গোল ব্রাজ়িলের লিয়োনিদাস এবং রোনাল্ডোর। ১৯৩৮-এ সুইডেনের বিপক্ষে এই নজির গড়েছিলেন লিয়োনিদাস। রোনাল্ডো সেই কীর্তি ছুঁয়ে ফেলেন ২০০৬ সালে। ২০ বছর আগের সেই কীর্তি পেরিয়ে গেলেন এমবাপে। এখন বিশ্বকাপের নকআউটে সবচেয়ে বেশি গোল তারই। মেসি বা পর্তুগালের রোনাল্ডো ধারেকাছেও নেই।
তিনটি বিশ্বকাপ মিলিয়ে নকআউটে এতগুলি গোল করেছেন এমবাপে। ২০১৮-য় তিনি তিনটি গোল করেন। তার মধ্যে প্রি-কোয়ার্টারে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে জোড়া গোল এবং ক্রোয়েশিয়ার বিরুদ্ধে একটি গোল ছিল। কাতার বিশ্বকাপে আরও পাঁচটি গোল করেন। পোল্যান্ডের বিরুদ্ধে দু’টি এবং ফাইনালে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে হ্যাটট্রিক ছিল। এ বার অতিরিক্ত একটি নকআউট পর্ব খেলতে হবে এমবাপেদের। ফলে রেকর্ড আরও মজবুত করার সুযোগ থাকছে।
পাশাপাশি মেসির পিছনেও ধাওয়া করছেন এমবাপে। বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোল করার যে নজির জার্মানির মিরোস্লাভ ক্লোজ়ে গড়েছিলেন, তা আগেই ভেঙে দিয়েছিলেন মেসি। এই মুহূর্তে মেসির ১৯টি গোল। ক্লোজ়ের সঙ্গে সমান গোলে দাঁড়িয়ে ছিলেন এমবাপে। সেটি পেরিয়ে এখন তার বিশ্বকাপে ১৮টি গোল। এমবাপের এটি তৃতীয় বিশ্বকাপ। বয়সও অনেক কম। ফলে আরও অনেক গোলের সুযোগ থাকছে তার কাছে।
পালাবদল/এসএ