বুধবার ১ জুলাই ২০২৬ ১৭ আষাঢ় ১৪৩৩
বুধবার ১ জুলাই ২০২৬
 
স্পোর্টস
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-য় আয়োজক দেশ মেক্সিকো





স্পোর্টস ডেস্ক
Wednesday, 1 July, 2026
12:36 PM
 @palabadalnet

মেক্সিকোর ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস। ছবি: রয়টার্স

মেক্সিকোর ফুটবলারদের উচ্ছ্বাস। ছবি: রয়টার্স

বিশ্বকাপের প্রি-কোয়ার্টার ফাইনালে উঠে গেল আয়োজক দেশ মেক্সিকো। মঙ্গলবার রাতে (ভারতীয় সময় বুধবার ভোরে) তারা ২-০ গোলে হারিয়ে দিল ইকুয়েডরকে। জার্মানিকে হারিয়ে নকআউটের যোগ্যতা অর্জন করেছিল লাতিন আমেরিকার দেশটি। কিন্তু এ দিন ইকুয়েডরকে সেই মেজাজে পাওয়াই গেল না। একাধিক সুযোগ নষ্ট করেছে তারা। প্রথমার্ধেই দু’গোল দিয়ে জয় নিশ্চিত করে ফেলে মেক্সিকো। প্রি-কোয়ার্টারে তারা খেলবে ইংল্যান্ড বনাম কঙ্গো ম্যাচের বিজয়ীর বিরুদ্ধে।

এই ম্যাচ ভারতীয় সময় সকাল ৬.৩০টা থেকে শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু বৃষ্টি এবং বজ্রপাতের কারণে ম্যাচ শুরু হতে এক ঘণ্টা দেরি হয়। জার্মানিকে হারিয়ে ইকুয়েডর অতিরিক্ত আত্মবিশ্বাসী হয়ে পড়েছিল কি না জানা নেই। কিন্তু নকআউটের ম্যাচ জিততে যে ফুটবল খেলা দরকার সেটা তাদের থেকে পাওয়া যায়নি। উল্টে মেক্সিকো প্রথমার্ধেই খেলা শেষ করে দিতে চেয়েছে। আয়োজক দেশ হওয়ায় তারা খেলছেও নিজেদের মাটিতে। ফলে প্রত্যাশার একটা চাপ থাকেই। সে সব পেরিয়েই মেক্সিকো জিতেছে।

ম্যাচের আগের রাতে ইকুয়েডরের হোটেলের সামনে গিয়ে ফুটবলারদের বিরক্ত করার সব রকম চেষ্টা করেছেন মেক্সিকোর সমর্থকেরা। ড্রাম, ঢোল বাজানো, আতসবাজি পোড়ানোর মতো কাজ করে ফুটবলারদের ঘুম এবং বিশ্রামের সময় নষ্ট করতে চেয়েছেন তারা। তা নিয়ে ইকুয়েডরের পক্ষ থেকে অভিযোগও করা হয়েছে ফিফার কাছে। কিন্তু অতীতে এমন বাধা পেরিয়ে বিপক্ষের ডেরায় গিয়ে ম্যাচ জিতেছে বহু দলই। ফলে ইকুয়েডর কোনও ভাবেই এই নিয়ে অজুহাত দিতে পারবে না।

ম্যাচের প্রথম ২০ মিনিটে মেক্সিকো অন্তত তিন বার এগিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেয়েছিল। দু’বার সুযোগ নষ্ট করেন ১৭ বছর বয়সি ফুটবলার গিলবার্তো মোরা। এক বার শট বাইরে মারেন রাউল জিমেনেজ়‌। কিন্তু মেক্সিকো যে ভাবে আক্রমণ করছিল তাতে বোঝা যাচ্ছিল যে কোনও মুহূর্তে গোল হতে পারে। সেটাই হয়। ২২ মিনিটে রবার্তা আলভারাদোর থেকে বল পেয়ে বাঁ প্রান্ত ধরে ওঠেন জুলিয়ান কিনোনেস। বক্সের কাছাকাছি গিয়ে ডান দিকে কাট করে জোরালো শট মারেন। ইকুয়েডরের গোলকিপারকে পরাস্ত করে তা জালে জড়িয়ে যায়।

নয় মিনিট পরে দ্বিতীয় গোল করে মেক্সিকো। ইকুয়েডরের বক্সের কাছে নিজেদের মধ্যে পাস খেলে নেন জিমেনেজ়‌ এবং কিনোনেস। বল পেয়ে নিখুঁত শটে গোল করেন জিমেনেজ়‌। মেক্সিকো নকআউটে ওঠার পর থেকে সমর্থকেরা বাড়তি উচ্ছ্বাস শুরু করেছেন। অনেকে বলছেন, এবার তাদের দেশ ফাইনালে উঠবে। ঘটনাচক্রে, ১৯৮৬ সালের পর প্রথম বার নকআউট পর্বের কোনও ম্যাচ জিতল মেক্সিকো। আগের ম্যাচগুলির চেয়ে তাদের খেলায় অনেক উন্নতি লক্ষ করা গিয়েছে ঠিকই। কিন্তু ফাইনালে ওঠার আগে বিস্তর ধাপ পেরোতে হবে তাদের।

ফিফার নিয়মে খেলার মাঝে মুখ ঢেকে কথা বললে সরাসরি লাল কার্ড দেখানোর নিয়ম রয়েছে। তুরস্ক ম্যাচে প্যারাগুয়ের মিগুয়েল আলমিরন এভাবেই লাল কার্ড দেখেছিলেন। এদিন একই অপরাধ করলেন ইকুয়েডরের হিনক্যাপিয়ে। মেক্সিকোর স্ট্রাইকার সান্তিয়াগো জিমেনেজ়কে মুখ ঢেকে কিছু বলেন তিনি। তা স্পষ্ট ধরা পড়ে ক্যামেরায়। জিমেনেজ সঙ্গে সঙ্গে রেফারি স্লাভকো ভিনচিচের কাছে গিয়ে প্রতিবাদ করেন। ভার-এর রিপ্লে দেখে হিনক্যাপিয়েকে লাল কার্ড দেখান রেফারি।

পালাবদল/এসএ


  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  
  এই বিভাগের আরো খবর  


Copyright © 2025
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
নির্বাহী সম্পাদক : জিয়াউর রহমান নাজিম
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]