
গোল করে সতীর্থের সঙ্গে উল্লাস বেলজিয়ামের রোমেলু লুকাকুর (ডান দিকে)। ছবি: রয়টার্স
ফোলারিন বোলাগুনের সাসপেনশন প্রত্যাহার মেনে নিতে পারেনি বেলজিয়াম। ফিফার কাছে আবেদন করেছিল তারা। ফিফা তা মানেনি। বালোগুন খেলেছেন। কিন্তু কিছু করতে পারেননি। আমেরিকাকে ৪-১ গোলে হারিয়ে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে উঠেছে বেলজিয়াম। আর তার পরেই ফিফা, জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ও ডোনাল্ড ট্রাম্পকে খোঁচা মেরেছে তারা।
বেলজিয়ামের চতুর্থ গোলটি করেন রোমেলু লুকাকু। সেই গোলের পর লুকাকুদের ছবি সমাজমাধ্যমে পোস্ট করে বেলজিয়াম ফুটবল ফেডারেশন। ক্যাপশনে লেখা, “গোলটা বাতিল করে দেখাও।” খেলা শেষে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের কায়দায় নাচতেও দেখা যায় বেলজিয়ামের ফুটবলারদের। অর্থাৎ, মাঠেও ট্রাম্পকে খোঁচা মেরেছেন তারা।
কারও নাম না নিলেও তাদের এই খোঁচা যে ফিফা, ইনফান্তিনো ও ট্রাম্পের উদ্দেশে, তা স্পষ্ট। তারা বোঝাতে চেয়েছে, মাঠের বাইরে অভূতপূর্ব সিদ্ধান্ত নিয়ে বালোগুনকে খেলার সুযোগ করে দিলেও আসল খেলা মাঠের ভিতরে হয়। আর সেখানে আমেরিকাকে দাঁড়াতে দেয়নি বেলজিয়াম।
ম্যাচ হারার পর আমেরিকার কোচ মৌরিসিয়ো পোচেত্তিনোর মুখেও লাল কার্ডের কথা। যদিও দলের হারের জন্য এই বিতর্ককে দায়ী করেননি তিনি। পোচেত্তিনো বলেন, “খুব হতাশ লাগছে। নিজের উপর রাগ হচ্ছে। লাল কার্ড বিতর্ক আমাদের খেলায় প্রভাব ফেলেনি। অজুহাত দিয়ে লাভ নেই। আমাদের দিন ছিল না।”
তবে এই বিতর্কের কারণে তাকে অনেক বাজে কথা শুনতে হয়েছে বলে জানিয়েছেন পোচেত্তিনো। সেই কারণে আরও বিরক্ত তিনি। পোচেত্তিনো বলেন, “আমাকে অনেক কথা শুনতে হয়েছে। সমাজমাধ্যমে হেনস্থার মুখে পড়তে হয়েছে। বালোগুনের সাসপেনশন তো আমি তুলে নিইনি। ফিফার সিদ্ধান্ত। ওকে খেলানোর সুযোগ ছিল বলে খেলিয়েছি। তাতে আমার কী দোষ? কিন্তু আমাকে ও আমার পরিবারকে নিশানা করা হচ্ছে। এতে আমি আরও হতাশ।”
পালাবদল/এসএ