
টানা দ্বিতীয় ম্যাচে জোড়া গোল পেলেন হালান্ড। ছবি: এএফপি
লিওনেল মেসি ও কিলিয়ান এমবাপে নিজ নিজ ম্যাচে জোড়া গোল করে দলকে জয় এনে দিয়েছেন। দুই মহাতারকার এমন পারফরম্যান্সের পর বোধহয় পিছিয়ে থাকতে চাননি আর্লিং হালান্ড। সেনেগালের বিপক্ষে দুই গোল করে নরওয়েকে ৩-২ গোলের দারুণ এক জয় এনে দিয়েছেন হালান্ড।
এই জয়ে ২৮ বছর বিশ্বকাপে ফিরেই নকআউট পর্ব নিশ্চিত হলো নরওয়ের। আর দুই ম্যাচের দুটিতেই হারায় পরের পর্বে যাওয়ার সমীকরণ আর নিজেদের হাতে রইলো না সাদিও মানের সেনেগালের।
অথচ ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ থেকে শুরু করে টোটাল শট, সবকিছুতেই এগিয়ে ছিল সেনেগাল। পিছিয়ে পড়েছে শুধু সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ গোলের হিসাবেই। প্রথমার্ধের বিরতিতে যাওয়ার ঠিক আগে সেনেগালের কালিদু কুলিবালি বল ক্লিয়ার করতে গিয়ে গড়বড় করে ফেললে বল পান মার্কাস পেডারসেন। বক্সের ভেতর থেকে গোলরক্ষক এডুয়ার্ডো মেন্ডিকে সহজেই পরাস্ত করেন এই বদলি খেলোয়াড়।
বিরতি থেকে ফিরেই হালান্ড ধরা দিয়েছেন চেনা রূপে। ৪৮ মিনিটে মার্টিন ওডেগার্ডের থ্রু বল নিয়ন্ত্রণে নিয়ে ম্যাচে নিজের প্রথম ও নরওয়ের দ্বিতীয় গোলটি করেন তিনি। সেনেগাল অবশ্য ম্যাচে ফিরতে খুব বেশি সময় নেয়নি। মানের ডিফেন্সচেরা পাস থেকে ৫৩ মিনিটে বল পেয়ে একটি গোল শোধ দেন ইসমাইলা সার।
সেনেগালের ম্যাচে ফেরার আশা অনেকটাই নিভে যায় পাঁচ মিনিট পর। আবারও বল ক্লিয়ার করতে ব্যর্থ আফ্রিকান দেশটি, আবারও সেটির ফায়দা তুলেন হালান্ড। এবারের বিশ্বকাপে নিজের চতুর্থ গোলটি আদায় করে নেন ম্যানচেস্টার সিটির স্ট্রাইকার।
ম্যাচের শেষদিকে স্টপেজ টাইমে নিকোলাস জ্যাকসনের অ্যাসিস্টে আরেকটি গোল শোধ দেন ইসমাইলা সার। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা যথেষ্ট হয়নি সেনেগালের জন্য।
জাতীয় দলের হয়ে এই নিয়ে ৫২ ম্যাচে ৫৯ গোল হলো হালান্ডের। তার এমন পারফরম্যান্সে ভর করে বিশ্বকাপে প্রথমবারের মতো টানা দুটি ম্যাচ জিতলো স্ক্যান্ডিনেভিয়ান দেশটি।
‘আই’ গ্রুপ থেকে ইতোমধ্যে ফ্রান্স ও নরওয়ে পরের রাউন্ড নিশ্চিত করেছে। গ্রুপের শেষ ম্যাচে শীর্ষস্থান নির্ধারণী ম্যাচে মুখোমুখি হবেন সময়ের সেরা দুই গোলস্কোরার এমবাপে ও হালান্ড।
পালাবদল/এসএ