অর্থ-বাণিজ্য
করোনাকালেও অতি-ধনীদের সংখ্যা বেড়েছে
করোনাকালেও অতি-ধনীদের সংখ্যা বেড়েছে





রয়টার্স
Saturday, Jun 12, 2021, 11:17 pm
Update: 12.06.2021, 11:22:44 pm
 @palabadalnet

 রাতারাতি বিলিয়নিয়ার ইউয়ান। করোনার সময়ে ভীষণ কাজে লাগছে জুম অ্যাপ৷অনলাইন ক্লাস, ইন্টারভিউ, টকশোসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে এই অ্যাপের সহায়তায়৷ জুম অ্যাপের মালিক এরিক ইউয়ানের মোট সম্পদের দাম এখন ১৯ বিলিয়ন ডলার৷

রাতারাতি বিলিয়নিয়ার ইউয়ান। করোনার সময়ে ভীষণ কাজে লাগছে জুম অ্যাপ৷অনলাইন ক্লাস, ইন্টারভিউ, টকশোসহ নানা ধরনের অনুষ্ঠান হচ্ছে এই অ্যাপের সহায়তায়৷ জুম অ্যাপের মালিক এরিক ইউয়ানের মোট সম্পদের দাম এখন ১৯ বিলিয়ন ডলার৷

বার্লিন: দুটো ঘটনাই করোনাকালে বাস্তব। একদিকে সাধারণ মানুষের অবস্থা খারাপ হয়েছে। অতিমারির ফলে প্রায় প্রতিটি দেশে লকডাউন হয়েছে। অর্থনীতিতে তার প্রভাব পড়েছে। প্রচুর মানুষ চাকরি হারিয়েছেন। বহু মানুষ গরিব হয়েছেন। অন্যদিকে বিশ্বে সুপার-রিচদের সংখ্যা বেড়েছে। করোনাকালে ছয় হাজার মানুষ সুপার রিচদের তালিকায় নাম লিখিয়েছেন। নতুন ধনীদের সংখ্যা সব চেয়ে বেশি অ্যামেরিকায়। তারপর চীন এবং তিন নম্বরে জার্মানি।

বস্টন কনসাল্টিং গ্রুপ বৃহস্পতিবার একটি রিপোর্ট প্রকাশ করেছে। সেখানে দেখা যাচ্ছে, করোনাও কিছু মানুষের অতি-ধনী হওয়াকে থামাতে পারেনি। ২০২০ সালে সারা বিশ্বে অতি-ধনীর সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজারে। যার মধ্যে জার্মানি থেকে আছেন দুই হাজার ৯০০ জন। জার্মান অতি-ধনীরা বিশ্বের বিনিয়োগযোগ্য সম্পদের এক দশমিক চার ট্রিলিয়ান ডলার নিয়ন্ত্রণ করেন। ২০২০ সালে তাদের আর্থিক বৃদ্ধির পরিমাণ ছিল ছয় শতাংশ।

করোনাকালে এই ধনীদের সম্পদের পরিমাণ রেকর্ড ছুঁয়েছে। বিশ্ব জুড়ে অতি-ধনীদের সম্পদের পরিমাণ ২৫০ ট্রিলিয়ান ডলার ছুঁয়েছে, যা ২০১৯-এর তুলনায় আট শতাংশ বেশি।

জার্মানিতে ক্যাশ, সেভিংস, শেয়ার, পেনশন প্ল্যান ও বিমায় নয় ট্রিলিয়ান ডলারের সম্পদ জমা রয়েছে। যদি রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ ধরা হয়, তাহলে সেই সম্পদের পরিমাণ গিয়ে দাঁড়াবে ২০ ট্রিলিয়ান ডলার। 

এই রিপোর্টের লেখক অ্যানা জাক্রেয়স্কি বলেছেন, ''জার্মানরা সাধারণত রিয়েল এস্টেটে বিনিয়োগ করতে পছন্দ করে। তবে এও সত্যি, জার্মান বিনিয়োগকারীরা অ্যাভারেজ রেটের থেকে বেশি সঞ্চয় করেছেন।''

যদিও বেশিরভাগ মানুষ ২০২০ সালের শেষ পর্যন্ত ঘরবন্দি হয়ে থেকেছেন, তাও জার্মানিতে মিলিওনেয়ারের সংখ্যা বেড়েছে ৩৫ হাজারের মতো। সারা বিশ্বে বেড়েছে পাঁচ লাখ ৪২ হাজার জন।

অসাম্য তৈরি করেছে করোনা

করোনার ফলে ধনী ও গরিবের মধ্যে অসাম্য আরো বেড়েছে। বিশ্বের ৬০ হাজার অতি-ধনী মানুষ মোট বিনিয়োগের ১৫ শতাংশ নিয়ন্ত্রণ করছেন। একই সময়ে বিশ্বে গরিব মানুষের সংখ্যা বেড়েছে। ইন্টারন্যাশনাল লেবার অর্গানাইজেশন(আইএলও)-র রিপোর্ট বলছে, করোনার ফলে বেকারের সংখ্যা বহুগুণ বেড়ছে। ২০১৯ সালের অবস্থায় ফিরতে বহু বছর সময় লেগে যাবে। রিপোর্ট বলছে, কুড়ি বছরের মধ্যে প্রথমবার শিশুশ্রমিকের সংখ্যা বেড়েছে।

পালাবদল/এমএ


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2020
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]