প্রতিরক্ষা
তুরস্কের সঙ্গে লোভনীয় সাবমেরিন-বিধ্বংসী যুদ্ধ মহড়ায় অংশ নিলো পাকিস্তান
তুরস্কের সঙ্গে লোভনীয় সাবমেরিন-বিধ্বংসী যুদ্ধ মহড়ায় অংশ নিলো পাকিস্তান





জিভিএস
Thursday, Nov 12, 2020, 10:54 am
 @palabadalnet

চলতি মাসে তুরস্কের সঙ্গে একটি বড় আকারের নৌ মহড়ায় অংশ নিয়েছে পাকিস্তান। তুরস্কের নেতৃত্বে মাভি বালিনা ২০২০ (মহড়া নীল তিমি-২০২০) শীর্ষক এই বহুজাতিক সাবমেরিন-বিধ্বংসী যুদ্ধ মহড়া গত ৩০ অক্টোবর শুরু হয়। শেষ হয়েছে ১০ নভেম্বর। তুরস্কের নেতৃত্বে পাকিস্তান, ইটালি, বুলগেরিয়া, রোমানিয়া, স্পেন ও যুক্তরাষ্ট্র এই মহড়ায় অংশ নেয়।

মহড়ায় তুরস্কের নৌসম্পদ ছাড়াও স্পেনের ফ্রিগেট আলভারো দি বাজান ও রেপ্লেনিশমেন্ট ওলিয়ার পাতিনো, যুক্তরাষ্ট্রের আরলেই বার্ক-ক্লাস ডেস্ট্রয়ার ইউএসএস রস, পাকিস্তানের রিভার-ক্লাস ফ্রিগেট পিএনএস জুলফিকার, ইটালির মিস্ত্রালি-ক্লাস ফ্রিগেট আইটিএস গ্রেকল, বুলগেরিয়ার ফ্রিগেট স্মাইল ও রুমানিয়ার ফ্রিগেট রেজিনা মারিয়া অংশ নেয়।

তিন পর্যায়ে এই মহড়া অনুষ্ঠিত হয়: ফোর্স এসেমব্লি, সি ট্রেনিং ও ইভালুয়েশন মিটিং। মহামারির কারণে ভিডিও’র মাধ্যমে ইভালুয়েশন মিটিং-এর আয়োজন করা হয়।  

‘মাভি বালিনা’ হলো ভূমধ্য সাগরে অনুষ্ঠিত সবচেয়ে বড় সাবমেরিন বিধ্বংসী যুদ্ধ মহড়া। তুরস্কের নেতৃত্বে পরিচালিত এমই মহড়ার প্রধান কেন্দ্র আকসাজ নেভাল বেজ। শুধুমাত্র আমন্ত্রিতরাই এই মহড়ায় অংশ নিয়ে থাকে।

পাকিস্তান ও তুরস্কের সেনাবাহিনীগুলোর মধ্যে এই ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক তুরস্কে থেকে পাকিস্তানে সামরিক প্রযুক্তি স্থানান্তরে সহায়ক হতে পারে। প্রতিরক্ষা বিশ্লেষক সামরান আলির মতে, তুরস্কের সহায়তায় পাকিস্তান তার নৌ সামর্থ্য বাড়াবে।

তুরস্ক থেকে পাকিস্তানে প্রযুক্তি হস্তান্তরের মাধ্যমে চারটি করভেট নির্মাণ করা হচ্ছে। এর দুটি তুরস্কে ও দুটি পাকিস্তানে নির্মাণ করা হবে। ২০২৪ সালের মধ্যে উচ্চপ্রযুক্তির করভেটগুলো পাকিস্তান নৌবাহিনীর কাছে হস্তান্তর করা হবে। এসব করভেট হবে এন্টি-শিপ, এন্টি-এয়ার, এন্টি-সাবমেরিন যুদ্ধে পারদর্শী। এই সহযোগিতাকে আরো এগিয়ে নিতে উভয় পক্ষ একটি জিন্নাহ ক্লাস ফ্রিগেট ডিজাইনিংয়ের কাজ করছে। এই ফ্রিগেটের মেধাস্বত্ব হবে পাকিস্তানের। 

এর মানে হলো পাকিস্তান ভবিষ্যতে চাইলে নিজের জন্য আরো ফ্রিগেট তৈরি করতে পারবে। এসব উদ্যোগ পাকিস্তান নৌবাহিনীর বহরের উন্নয়নের ইতিবাচক দিক। দুই নৌবাহিনীর সম্মিলিত মহড়া ও প্রশিক্ষণ তাদের সমঝোতা বৃদ্ধি এবং ভবিষ্যতে অংশীদারিত্বের আরো পথ খুলে দেবে।

পাকিস্তান নৌবাহিনী সমসাময়িক নৌযুদ্ধের প্রবণতার সঙ্গে সঙ্গতি রেখে উন্নতি করার চেষ্টা করছে। প্রচলিত ও অপ্রচলিত উভয় ধরনের চ্যালেঞ্জ মোকাবেলার জন্য এই বাহিনী সজ্জিত হচ্ছে। তবে এর প্রাথমিক উদ্দেশ্য হচ্ছে দেশের ভৌগলিক অখণ্ডতাকে সুরক্ষিত রাখা। বিকাশমান ভূরাজনৈতিক ও ভূকৌশলগত পরিবেশের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে এই অঞ্চল ও এর বাইরে কৌশলগত দায়িত্ব সম্পর্কেও পাকিস্তান নৌবাহিনী পুরোপুরি সচেতন। 

পালাবদল/এমএম


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2020
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]