লাইফস্টাইল
করোনা: ‘নিউ নর্মালে’ অভ্যাস গড়ুন
করোনা: ‘নিউ নর্মালে’ অভ্যাস গড়ুন





পালাবদল ডেস্ক
Wednesday, Oct 14, 2020, 2:03 am
 @palabadalnet

সাভারের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে ঢোকার আগে পোশাক শ্রমিকরা সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিচ্ছেন

সাভারের একটি গার্মেন্টস ফ্যাক্টরিতে ঢোকার আগে পোশাক শ্রমিকরা সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে নিচ্ছেন

কোভিড-১৯  কবে যাবে বা কত দিন পর আবারও পৃথিবী আগের মতো হবে, তা নিয়ে নিশ্চিত করতে পারছেন না বিশেষজ্ঞরা। লকডাউনে  সময় কাটাতে অনেকেই অনেক নতুন কিছু শুরু করেছেন। কেউ গান গাইছেন, কেউ বাগান করছেন, কেউ মানুষের সেবায় মন দিয়েছেন আরও বেশি করে। এই অভ্যাসটা নষ্ট করবেন না। ভবিষ্যতে যদি আরও কোনো বিপদ আসে এই ভাবেই সে বিপদ কাটিয়ে উঠতে পারবেন।

আনলকে  ফিরেছে বাংলাদেশে। খুলেছে অফিস-কাছারি, দোকানপাট, মসজিদ-সহ ধর্মীয় স্থান, রেস্তোরাঁ, শপিং মল। আপাতত করোনাকে সঙ্গী করেই জনজীবন স্বাভাবিক হওয়ার দিকে। কিন্তু এই পরিস্থিতিতেও করোনার আক্রান্তের সংখ্যা থামানো যাচ্ছে না। যাদের নিতান্ত উপায় নেই, তাদের বেরোতেই হচ্ছে। আর যারা চার দেওয়ালের মধ্যে বসেই অফিসের কাজ কিংবা সন্তানের অনলাইন ক্লাস সামলাচ্ছেন, তাদের চাপ খানিকটা হলেও বেশি। কারণ এই নতুন ধরনের স্বাভাবিকতায় বাড়ির ছোট-বড় কেউই অভ্যস্ত নয়। ফলে কাজ ভাগ করে নেওয়া, নতুন পরিবেশের সঙ্গে মানিয়ে কাজে বা ক্লাসে মন দিতেও বেগ পেতে হচ্ছে।

এই নতুন পরিস্থিতির সঙ্গে মানিয়ে নেওয়া কতটা কঠিন? মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে যাওয়ার রাস্তাই বা কী? দেখে নিন সেগুলো কী কী:

১. এখন যেমন সাবধান হয়ে চলছেন, মাস্ক পরছেন, হাত ধুচ্ছেন, দূরত্ব বজায় রাখছেন, তেমনই থাকতে হবে। বাইরে বেরোনোর সময় স্যানিটাইজার, অতিরিক্ত মাস্ক নিয়ে বেরোবেন। ক্লাব-পার্টি, রেস্তরাঁয় খেতে যাওয়া, চায়ের দোকানে আড্ডা, পাশাপাশি বসে সিনেমা-থিয়েটার দেখা, দূরে কোথাও বেড়াতে যাওয়ার ভাবনা থাকলেও ভুলে থাকতে হবে বছরখানেক। নিজেদের ওয়র্ক ফ্রম হোম আর সন্তানের ক্লাস, প্রজেক্টের রোজরুটিনে নিত্যদিন যুঝছেন ছোটদের বাবা-মায়েরাও। অনেকেই বাড়িতে সেট-আপ করে নিয়েছেন। যাদের বাইরে বেরোতে হচ্ছে, তাদের ঢাল প্রোটেক্টিভ শিল্ড, মাস্ক, গ্লাভস ইত্যাদি।

২ খাওয়ার আগে-পরে, বাইরে থেকে এসে বা এমনিও মুখে-নাকে হাত দেওয়ার আগে হাত ভালো করে সাবানে হাত ধুয়ে নিন। ক্রমণজনিত অসুখের আশঙ্কা কমবে।

৩ মানুষের সঙ্গে ৩-৬ ফুট দূরত্ব বজায় রাখলেও কমবে ড্রপলেট সংক্রমণের আশঙ্কা।

৪ মাস্ক আপনাকে বাঁচাবে ফ্লু, টিবি, ডাস্ট বা পোলেন অ্যালার্জি থেকে। তাই পরিবেশ দূষণের প্রকোপ বাড়লেও মাস্ক পরলে তা কিছুটা ঠেকাতে পারবেন।

৫ রোদ না লাগায় চুল শুষ্ক হবে কম। মুখ ঢাকা থাকলে মেক-আপের প্রয়োজন হবে না। প্রয়োজন হবে না বিউটি ট্রিটমেন্টের।

৬ ত্বকের কোনো ক্ষতি হবে না। রোদ এবং মেক-আপ এড়িয়ে গেলে ত্বক ভালো হবে আগের চেয়ে।

৭ নিজের হাতে ঘরে রান্না করার অভ্যাসটা বজায় রাখতে পারেন। কম তেলে রান্না করা হালকা খাবার পেট একটু খালি রেখে খেলে ও বাইরের খাবার না খাওয়ার অভ্যাস মোটামুটি বজায় রাখতে পারলে, এখন যেমন ডাক্তারের প্রয়োজন খুব একটা হচ্ছে না, পরেও হবে না।

নিউ নর্মালের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে এগিয়ে চলেছে অনভ্যস্ত জীবন। তার সঙ্গে পাল্লা দেওয়ার প্রস্তুতি শুরু করে দেওয়াই ভালো।

পালাবদল/এমএ


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]