লাইফস্টাইল
করোনা: উপসর্গ বুঝলে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন
করোনা: উপসর্গ বুঝলে আতঙ্কিত না হয়ে সতর্ক থাকুন





পালাবদল ডেস্ক
Wednesday, Aug 26, 2020, 11:05 am
 @palabadalnet

কাশি, সর্দি, জ্বর আগেও ছিল, পরেও থাকবে। কিন্তু বর্তমানে করোনা পরিস্থিতিতে এই সব উপসর্গ দেখা দিলে আতঙ্কিত হয়ে পড়ছেন নাগরিকেরা। নানা ভ্রান্ত ধারণার বশবর্তী হয়ে অনেকে বিভ্রান্তও হচ্ছেন। সংক্রমণ ধরা পড়লে কী করবেন, তা নিয়ে সংশয়ে তারা। এই অবস্থায় কী করণীয়, করোনা ধরা পড়লে শরীরের কোন দিকে লক্ষ রাখতে হবে, কখনই বা করাতে হবে পরীক্ষা-থাকল সে সম্পর্কে নানা তথ্য।

কী করবেন

যারা পজ়িটিভ এবং খুব বেশি উপসর্গ আছে, তারা হাসপাতালে ভর্তি হলে ভাল। যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসা শুরু করতে হবে। আর পজ়িটিভ অথচ উপসর্গ তুলনায় কম, তাদের বাড়িতে বা অন্যত্র কোয়রান্টিনে থাকতে হবে। পরীক্ষার ফল আসার তিন দিন পরে যদি জ্বর না আসে, তা হলে উপসর্গ আসার ১০ দিনের পর থেকে তিনি আর রোগ ছড়াবেন না। ১০ দিনের পরে আরও এক সপ্তাহ বাড়িতে থাকতে হবে। তার পরে স্বাভাবিক জীবনযাপন শুরু করা যেতে পারে। নতুন করে পরীক্ষা করানোর আর দরকার নেই।

অ্যান্টিবডি পরীক্ষার ওপরে তেমন কিছু নির্ভর করবে না। সেই পরীক্ষায় যদি রিঅ্যাক্টিভ আসে, তা হলে সেই ব্যক্তি প্লাজমা দিতে পারবেন। কিন্তু, রিঅ্যাক্টিভ মানেই যে তিনি আর আক্রান্ত হবেন না, এই ধারণা ঠিক নয়।

বর্তমান পরিস্থিতি

এই মুহূর্তে কোভিডের চিকিৎসা পুরোটাই চলছে গবেষণার ভিত্তিতে, শুধু উপসর্গের ওপরে নির্ভর করে। মাত্র ৬-৭ মাস হয়েছে এটি দেখা দিয়েছে। ফলে এর নির্দিষ্ট চিকিৎসা বার করা মুশকিল। সার্স এবং মার্স-এর অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে চিকিৎসায় সাড়া মিলছে। এটা করতে করতেই নির্দিষ্ট চিকিৎসা বেরিয়ে আসবে।

বয়স্ক মানুষ ছাড়াও যাদের উচ্চ রক্তচাপ বা সুগার আছে এবং কিডনি, লিভারের সমস্যা রয়েছে, তাদের অতিরিক্ত সাবধানে থাকতে হবে। যাদের ক্যানসার রয়েছে, সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে তাদেরও।

যদি উপসর্গ দেখে কারও সন্দেহ হয় এবং তার পরে পরীক্ষা করিয়ে রিপোর্ট নেগেটিভ আসে, তা হলেও কোয়রান্টিনে থেকে ৪৮ ঘণ্টা পরে আবার পরীক্ষা করিয়ে নেওয়া ভালো। সে ক্ষেত্রে পরীক্ষার জন্য লালারস দিয়ে তার বাইরে এদিক-সেদিক ঘোরা চলবে না।

রোজকার রুটিন

যাদের রোজ অফিসের কাজে বা অন্য কাজে বাইরে বেরোতে হচ্ছে, তারা বাড়ি ফিরে আগে  জামাকাপড় সাবান-পানিতে চুবিয়ে দিন। সঙ্গে থাকা কলম, ঘড়ি, বেল্ট, চশমা, মোবাইল স্যানিটাইজ়ার দিয়ে অথবা সাবান-পানি দিয়ে মুছে রাখুন। শবজি জাতীয় জিনিস পরিষ্কার পানিতে ধুয়ে নিলেই হবে।

ভ্রান্ত ধারণা

যে বাড়িতে পরিচারক-পরিচারিকারা কাজ করেন, উপসর্গ না-থাকলে তাদের আসা নিয়ে সমস্যা নেই। অনেক ক্ষেত্রে আবাসনের অন্য লোকেরা বা প্রতিবেশীরা আপত্তি করছেন। সেটা ঠিক নয়। পরিচারিকা কাজে আসার পরে ভালো করে সাবান দিয়ে হাত ধুয়ে তবে কাজ শুরু করা উচিত। পরিচারক বা পরিচারিকা গণপরিবহণে এলে তাকেও আগেও গোসলখানায় ঢুকে পোশাক কাচতে হবে। সে ক্ষেত্রে তার জন্য আর এক সেট পোশাক রাখতে হবে।

পড়শি কেউ করোনায় আক্রান্ত হলে আতঙ্কিত হবেন না। উপসর্গ কম আছে বলেই তিনি বাড়িতে কোয়রান্টিনে রয়েছেন। প্রয়োজনে তার বাড়ির দরজার সামনে ওষুধ, খাবার এবং অন্য নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস রেখে দিয়ে আসুন। এতে আপনার কোনো ক্ষতি হবে না।- সংবাদসংস্থা

পালাবদল/এমএম


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]