শিল্প-সাহিত্য
জনঅরণ্যে নীরবতার শিল্পী
জনঅরণ্যে নীরবতার শিল্পী





শাহ মুহাম্মদ মোশাহিদ
Thursday, Aug 20, 2020, 11:56 pm
Update: 21.08.2020, 12:43:12 pm
 @palabadalnet

ভারতের ত্রিপুরায় একটি মঞ্চে মূকাভিনয় ‘টু ইন ওয়ান’ উপস্থাপন করছেন রিফাত ইসলাম। ছবি : ফরহাদ ইসলাম

ভারতের ত্রিপুরায় একটি মঞ্চে মূকাভিনয় ‘টু ইন ওয়ান’ উপস্থাপন করছেন রিফাত ইসলাম। ছবি : ফরহাদ ইসলাম

সাধারণত ‘উঠে আসা’দের গল্প ঘটা করে বলা হয়। জনঅরণ্য থেকে কিছু লোক উঠে আসেন ‘তারকা’ হয়ে। এদের থাকে আলাদা রঙ। জ্বলজ্বল করেন তারার মতো করেই। এই তারকাদের খুঁজে পাওয়া সহজ। তাদের জীবন, অতীত নিয়ে গল্প সাজানোটাও কঠিন নয়।

কিন্তু যারা তারকা নন, অথচ একদিন জ্বলে উঠতে পারেন, তাদের নিয়ে গল্প সাজান কয়জন!

আজকের গল্পের নায়ক এখনো তারকা হয়ে উঠেননি। আছেন জন অরণ্যের আড়ালে। তার গায়ে আলাদা কোনো রঙ লাগেনি। তবে অরণ্যের অন্য আট-দশটা লোকের চাইতে তিনি আলাদা।

তিনি এক নীরবতার শিল্পী। শরীর দিয়ে ভাষা তৈরি করেন। আর সেই ভাষায় বিনোদিত হন মানুষ। যাকে বলা হয় ‘মূকাভিনয়’।

হ্যাঁ, ‘মূকাভিনয়’ শব্দটা এলেই চলে আসে পার্থ প্রতিম মজুমদারের নাম। এই মূকাভিনেতা কেবল বাংলাদেশের নয়, গোটা বিশ্বের আকাশেই জ্বলছেন তারকা হয়ে। 

কিশোরগঞ্জ বইমেলায় ধূমপানবিরোধী মূকাভিনয় দেখাচ্ছেন রিফাত ইসলাম। ছবি : ফরহাদ ইসলাম

কিশোরগঞ্জ বইমেলায় ধূমপানবিরোধী মূকাভিনয় দেখাচ্ছেন রিফাত ইসলাম। ছবি : ফরহাদ ইসলাম

পার্থ প্রতিম মজুমদারের পর?

কাছাকাছি কারো নাম আসে না। একটু দূর গেলে আরো কয়েকটা নাম আসবে। তবে সেগুলো সাধারণের কাছে পরিচিত নয়।

আমাদের গল্পের নায়কও অপরিচিত। তরুণ এক ‘নীরবতার শিল্পী’। তার পরিচয় সীমিত পরিসরে।

তরুণ এই মূকাভিনেতার নাম রিফাত ইসলাম। বাড়ি কিশোরগঞ্জ। তবে তার খ্যাতি মফস্বল শহর ছাপিয়ে। মানুষ অভিভ’ত হয় তার অভিনয় দেখে। যারা দেখেন, তাদের একটা অংশ জানেন না, এই অভিনয়ের পরিচয়!

একটা সময় ছিল রিফাত নিজেও জানতেন না, তিনি মূকাভিনয় করছেন।

রিফাতের বাড়ি শহরতলিতে। এখন কাজ করছেন কিশোরগঞ্জের স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমে।

সংবাদ, সংবাদমাধ্যম এবং ‘সৃষ্টি’র প্রতি তার আগ্রহ তৈরি হয়েছে এই অভিনয় থেকেই।

‘একটা সময় ছিল বিয়েবাড়ির অনুষ্ঠানে হিন্দি গানের সঙ্গে নাচতাম আমি’ বললেন রিফাত।

সেই সময় এখন পাল্টে গেছে।

কীভাবে পাল্টালো, সে প্রসঙ্গে যাওয়ার আগে জেনে নেওয়া যাক তার এখনকার সময় নিয়ে।

একটি মঞ্চে রিফাত ইসলামের রোবট চরিত্র। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

একটি মঞ্চে রিফাত ইসলামের রোবট চরিত্র। ছবি : ভিডিও থেকে নেওয়া

ইউটিউবে একটি ভিডিও পাওয়া যায় ‘টু ইন ওয়ান’ শিরোনামে। মূকাভিনয়ের এই ভিডিওটি তার ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেলে আপ করা আছে। ঢাকায় শীর্ষ একটি দৈনিকের পাঠক সংগঠনের আয়োজনে ‘টু ইন ওয়ান’ শিরোনামের অভিনয় করেন তিনি।

ভিডিওতে দেখা যায় দুই পাশে দু’টি পর্দা। মাঝখানে একটা শরীরি নাচ। একটা শরীর পুরুষের, অন্যটা নারীর। পুরুষের শরীর দেখে চেনা যায়, তিনি রিফাত ইসলাম। নারীর শরীরটি কার?

ওই শরীরটিও তার, সেটা স্পষ্ট হয় অভিনয়ের শেষের দিকে। একই শরীরে দুইরকম উপস্থাপনা!

ব্যক্তিগত ইউটিউবে এই উপস্থাপনায় দর্শকসংখ্যা একেবারেই কম। তবে যারা একবার দেখেছেন, তারা বার বার দেখতে চান। এদেরই একজন সাংবাদিক আহমদ আমিন। রিফাত ইসলামকে আগে থেকেই চিনতেন। জানতেন মফস্বলের এক সংবাদকর্মী আর ভিডিও এডিটর হিসেবে। রিফাত মূকাভিনয় করেন, সেটাও জানতেন। কিন্তু এতোটা নিখুঁত জানা ছিল না আহমদ আমিন এর।

তিনি বললেন, ‘ইউটিউব ঘাঁটতে গিয়ে ভিডিওটি আমার সামনে আসে। পরিচিত মুখ দেখে কৌতুহলী হই। দেখার পর তাজ্জব বনে যাই। জীবনে অনেক মূকাভিনয় দেখেছি। কিন্তু রিফাতের মতো প্রতিভার দেখা পাইনি।’

কেন এই কাজটিকে আলাদা মনে হলো?

‘সবচেয়ে জাদুকরি বিষয় হলো, এক শরীরে দু’জনের নাচ। দেখে আন্দাজ করারও সুযোগ নেই।’

দেশের শীর্ষ একটি সংবাদমাধ্যমের পাঠক সংগঠনের অনুষ্ঠানের মঞ্চে ছিলেন রিফাত। গাজীপুরের ওই মঞ্চে তিনি উপস্থাপন করেন রোবট-এর চরিত্র। গল্পের প্লট ছিল হরতাল। একটি রোবটকে পাঠানো হয় ফটো সাংবাদিকতার কাজ দিয়ে। ক্যামেরা নিয়ে রোবট তার কাজ করছিল। হঠাৎ উড়ে আসে একটি গুলি। ঠিক সেই সময়ই এক শিশুর কান্না শুনা যায়। গুলিবিদ্ধ রোবট যেভাবে শিশুকে উদ্ধার করে, সেই নীরব অভিনয় দেখে মাঞ্চের সামনে বাহ্বা পড়ে যায়।

সেদিনের সেই বাহ্বা আকাশ কাঁপিয়েছিল, এমনটাই জানালেন ওই অনুষ্ঠানে উপস্থিত মো. জিয়াউর রহমান। তিনি একজন স্কুলশিক্ষক। ওই সময় ছিলেন পত্রিকাটির পাঠক সংগঠনের কিশোরগঞ্জ জেলার সভাপতি। রিফাতকে ওই অনুষ্ঠানে নিয়ে যান তিনিই।

জিয়াউর রহমান বলেন, ‘অন্যদের উপস্থাপনা ছিল গতানুগতিক। এর মধ্যে রিফাতের ব্যতিক্রম উপস্থাপনা ব্যাপক সাড়া ফেলেছিল। অনুষ্ঠানের আয়োজকদের একজন ছিলেন সাইদুজ্জামান রওশন। তিনি রিফাতকে ব্যক্তিগতভাবে পুরস্কৃত করেন।’

এ প্রসঙ্গে রিফাত বললেন, ‘রওশন ভাই আমাকে অনুষ্ঠানের শেষ পর্যন্ত থাকতে বললেন। পরে জিজ্ঞেস করলেন অভিনয়ের কস্টিউম তৈরি করতে কেমন খরচ পড়েছে। সঙ্গে সঙ্গেই সেই খরচটা আমাকে দিয়ে দেন তিনি।’

এই ঘটনাটা রিফাতের জন্য ছিল উৎসাহের। অভিনয় করতে গিয়ে এমন আরো উৎসাহ পাচ্ছেন তিনি। এইসব উৎসাহ থেকে তৈরি হচ্ছে শক্তি। সেই শক্তিতেই মাথা তুলতে চান তিনি।

মূকাভিনয়ের উৎসাহটা কীভাবে পেলেন তিনি?

শুরুতে বলা হয়েছিল, রিফাত যা করছেন, সে বিষয়ে ধারণা ছিল না তার নিজেরই।

তিনি জানিয়েছেন, প্রথমে হিন্দি গানের সঙ্গে গ্রামের বিয়েবাড়িতে নাচ করতেন।

নাচের উৎসাহ কীভাবে পেলেন?

‘আমার বড় ভাইয়ের কাছ থেকে। গ্রামের অনুষ্ঠানে ভাই নাচতেন। দর্শকের বাহ্বা পেতেন। সেই থেকে আমার লোভ হয় নাচ শেখার।’
বড় ভাই গাজী মাজহারুল ইসলাম নাচ করতেন। ছোট ভাই রিফতকেও উৎসাহ দিতেন।

একটা সময় দেখা গেলো শহরতলিতে বড় কোনো অনুষ্ঠান হচ্ছে, সেখানে ডাক পড়তো রিফাতের। নাচতেন তুমুল শব্দে গানের সঙ্গে। মাইকেল জ্যাকসনের নাচও নেচেছেন তিনি। তখন মাইকেল জ্যাকসনের মৃত্যু হয়েছে। তখন তার গান বাংলাদেশের শহর-গ্রামে ভাইরাল। এর সঙ্গে স্থানীয় পরিমন্ডলে ভাইরাল হয়ে উঠলেন রিফাতও।

এভাবে কিছুদিন চললো। রিফাত নাচ দেখিয়ে ক্লান্ত। এবার নতুন কিছু চাই। নতুন কিছু তৈরি করতে হলে দরকার নতুন কিছু জানা।
‘আমি দেখলাম, শহরের পরিশীলিত লোকেরা আমার এই নাচ গ্রহণ করছেন না। শহরতলির মঞ্চে হইহই তুলতে পেরেছি। তবে শিল্প-সংস্কৃতির লোকেরা আমাকে এড়িয়ে চলতেন। এটা আমাকে আঘাত করলো।’

রিফাত চাইলেন, পরিশীলিতদের কদর।

কিন্তু কীভাবে সম্ভব?

তিনি ইউটিউব ঘাঁটলেন। দেখতে থাকলেন বিভিন্ন নাচের মুদ্রা। কিছু নাচ দেখলেন, নির্বাক। শরীর দিয়েই সব বলা হয়ে যায়। ওই নাচগুলো ভালো লাগতে শুরু করলো তার। কেবল নাচ নয়, কথা না বলে অভিনয় করার দিকে ঝুঁকলেন তিনি।

তখনো রিফাত জানেন না, এই অভিনয়ের নাম কী?

রিফাত বললেন, ‘মূকাভিনয়ের পুরোপুরি ধারণা আসে মূকাভিনেতা মীর লোকমান ভাইয়ের থেকে। ২০১৬ সালে একটি অনুষ্ঠানে তার সঙ্গে পরিচয়। বলা যায় সেদিন থেকেই মূকাভিনয়ে কাজ শুরু করি। লোকমান ভাইয়ের সুবাদে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক মূকাভিনয় উৎসব ও ভারতের ত্রিপুরায় একটি আন্তর্জাতিক উৎসবে অংশ নেই।’

ধারণা পাওয়ার পর কলা-কৌশল শিখলেন কীভাবে?

‘আমি ইউটিউব থেকে নানা মুদ্রা শিখতে থাকলাম। পরে ওগুলোকে এক করে প্যাকেজ বানালাম।’

তিনি বললেন, ‘আমার মনে হলো, কাজের ভেতর গল্প থাকতে হয়। গল্প মানুষকে টানে। পরে আমি কিছু গল্প তৈরি করলাম। ওগুলোর বিপরীতে তৈরি করলাম অভিনয়ের আলাদা কৌশল। যখন গল্প নিয়ে অভিনয় শুরু করতে থাকলাম, খুব সাড়া পেলাম।’

সেইসব অভিনয়ের উপস্থাপন কোথায় ছিল?

 “সেগুলো কিশোরগঞ্জ শহরের শিল্পকলা একাডেমির মঞ্চে। আগেই বলেছি, ততদিনে আমি বুঝে গেছি, নির্বাক এইসব অভিনয়কে বলে ‘মূকাভিনয়’। ইংরেজিতে ডাকা হয় ‘মাইম’।”

শহরের রুচিশীল লোকেরা রিফাত এবং তার শিল্পকে পছন্দ করতে শুরু করলো?

“হ্যাঁ। শহরে একটি সাংস্কৃতিক সংগঠন আছে, ‘জলছবি’। এর সাধারণ সম্পাদক মশিউর রহমান কায়েস। তিনি আমাকে সুযোগ করে দিলেন। সভাপতি বিপুল মেহেদি, আমাকে নিয়ে কাজে নামলেন।’

এরপর থেকে শুরু হলো রিফাত-এর নান্দনিক যাত্রা। এই যাত্রা কঠিন, পথ দীর্ঘ। তবে ‘দূর’ যেতে হলে সেই দীর্ঘ পথ-ই পাড়ি দিতে হবে তাকে।
এর জন্য থাকতে হয় মনের বল। সেই বল কতোটা আছে তার?

‘আমি হাঁটতে চাই। দূরের গন্তব্যে যেতে চাই’ বললেন তিনি। জানালেন, বাবা রফিকুল ইসলাম, মা রেনুয়ারা খাতুনও তাকে নিয়ে আশাবাদী।
অথচ একটা সময় ছিল, এইসব কাজে বাবা এবং মা বাধা হয়ে দাঁড়াতেন। এখন ছেলের খ্যাতি ছড়াতে শুরু করেছে। খ্যাতির সঙ্গে সামনে থেকে সরে গেছে পারিবারিক বাধাও। মা রেনুয়ারা খাতুন যখন বাড়ির বাইরে যান। ছেলের সুনাম কানে আসে। লোকেরা বাড়িতে এসে ছেলের খোঁজ করেন। এতটুকুতেই তারা খুশী।

রিফাতের জন্য কী এটাই যথেষ্ট?

তার সামনে খোলা আছে অবারিত মাঠ। তিনি এখন পড়ছেন সম্মান চতুর্থ বর্ষে। বাংলা বিভাগ নিয়ে। একদিন পড়ালেখা শেষ করবেন। তিনি চান, সেই সময় যেন মূকাভিনয় তার কাছে জাদুর মতো ধরা দেয়।

আগেই বলা হয়েছে, পড়ালেখার পাশাপাশি তিনি স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমে কাজ করছেন। এর এডিটর ইন চিফ আহমাদ ফরিদ। তাকে জিজ্ঞেস করা হয়েছিল, রিফাতের পক্ষে কতদূর যাওয়া সম্ভব?

তিনি সোজা জানালেন, ‘অনেক দূর’।

এই প্রতিষ্ঠানে রিফাতের দায়িত্ব ও অভিনয় নিয়ে নেতিবাচক কোনো মন্তব্য আছে কী না?

আহমাদ ফরিদ হাসলেন। তারপর কিছু সময় ভাবলেন। এবং জানালেন, নেতিবাচক কিছু নেই। তবে...

তবে?

‘তবে সাংবাদিকতার মাঠে আরো মন দিলে সে ভালো করতো’। বললেন, তিনি।

আর মূকাভিনয়?

‘মূকাভিনয়ে তার উপস্থিতি আলাদা। সেখানে রিফাত ভালো করছে, আরও করবে।’ বললেন আহমাদ ফরিদ।

সহকর্মী ফরহাদ ইসলাম। তিনিও আশাবাদী রিফাতকে নিয়ে। বললেন, ‘রিফাত নতুন নতুন কিছু শেখে। শেখার মধ্যেই থাকে।’

তবে অভিযোগ করে ফরহাদ বলেন, ‘আমিও ওর কাছে মাইম শিখতে চেয়েছিলাম। কিন্তু শেখায়নি।’

আরেক সহকর্মী আমিনুল হক সাদীর কথা ভিন্ন। তিনি মনে করেন, ‘কেউ শিখতে চাইলেই শিখে ফেলা যায় না। কিছু কিছু শেখা ভেতর থেকে আসে।’

তিনি মনে করেন, রিফাত আপাদমস্তক মূকাভিনেতা। সাংবাদিক সাদী রিফাতকে মানুষ বলেই মনে করেন না! তার চোখে রিফাত একটি জীবন্ত রোবট। বললেন, “রোবট-এর মতো বেশ কয়েকটি মূকাভিনয় করেছে রিফাত। এ কারণে অনেকেই তাকে ‘রোবট’ বলে ডাকে।”

সে যা বলেই ডাকা হোক না কেন, আদতে রিফাত ইসলাম রোবট নন। দারুণরকমের খোলা শিল্পী। যা করতে চান, নিজের মতো করেই। চেষ্টাও করেন ওভাবে। ওইসব চেষ্টা থেকেই এই ছোট শরীরে তৈরি হয়েছে বড় একটা ‘শিল্পমন’।

দেখা গেছে, তিনি একমনে কাজ করছেন। চলন্ত চিত্রের আড়ালে কণ্ঠ দিচ্ছেন। একবার নিজের মতো করে কণ্ঠ। অন্যবার বৃদ্ধের মতো করে। এক কণ্ঠে দশরকম স্বর বের করতে পারেন তিনি। স্টুডিওতে কখনো তাকে দেখা যায় চলন্তচিত্রের আবহ সুর টানতে।


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]