সোমবার ১৮ নভেম্বর ২০১৯ ৪ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
 
সারাবাংলা
ময়মনসিংহ অঞ্চল দিয়ে আমদানি-রফতানি বাড়াতে চায় মেঘালয়
ময়মনসিংহ অঞ্চল দিয়ে আমদানি-রফতানি বাড়াতে চায় মেঘালয়





হেলাল উদ্দিন নয়ন
Saturday, Nov 9, 2019, 9:27 pm
Update: 10.11.2019, 12:34:05 am
 @palabadalnet

ময়মনসিংহ: ময়মনসিংহ অঞ্চলের তিনটি স্থলবন্দরকে পূর্ণাঙ্গ বন্দরে রুপান্তর এবং এসব বন্দর ব্যবহার করে ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে পণ্য আমদানি-রফতানি বৃদ্ধিতে সব ধরণের সহযোগিতা করবে মেঘালয় রাজ্য সরকার। ময়মনসিংহ জেলার হালুয়াঘাটের কড়ইতলী ও গোবরাকুড়া এবং শেরপুরের নাকুগাঁও স্থলবন্দর তিনটি দুই দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই বন্দরগুলোকে অত্যাধুনিক বন্দরে রুপান্তর করে এর মাধ্যমে আমদানি-রফতানি বাড়াতে মেঘালয় রাজ্য সরকার সর্বাত্বক প্রচেষ্টা চালাবে। স্থলবন্দগুলো দিয়ে আমদানি-রফতানি বাড়ানোর মাধ্যমে দুই দেশের ব্যবসায়ীদের সম্পর্কও উন্নত হবে। এতে উভয় দেশই ব্যবসায়িকভাবে লাভবান হবেন বলে মনে করে মেঘালয় সরকার। মেঘালয় রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কঙ্কাল সাংমা এসবক কথা বলেছেন।

গত শুক্রবার সড়ক পথে বাংলাদেশ সফরে এসে ময়মনসিংহ ও শেরপুরে বিভিন্ন শ্রেণিপেশার মানুষের সাথে একাধিক বৈঠকে মুখ্যমন্ত্রী এসব কথা বলেন। 

ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে সৌহার্দ্য বৃদ্ধি ও ব্যবসা-বাণিজ্য বাড়ানোর জন্য উভয় দেশ কাজ করছে উল্লেখ করে  মূখ্যমন্ত্রী কনরাড সাংমা বলেন, ২০০৪ সাল থেকে আইনী জটিলতায় মেঘালয় রাজ্য থেকে বাংলাদেশে কয়লা রফতানি বন্ধ রয়েছে। যা খুব শিগগিরই চালু করা হবে। তিনি দু’দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক জোরদার রাখতে একে অপরের সাথে মিলেমিশে কাজ করার আহবান জানান। 

শুক্রবার রাত ৮টায় মুখ্যমন্ত্রী কনরাড কঙ্কাল সাংমা হালুয়াঘাটের বিড়ইডাকুনীতে ময়মনসিংহ-১ আসনের সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং এর বাসভবনে কড়ইতলী ও গোবরাকুড়া স্থালনব্দরের ব্যবসায়ীদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে মিলিত হন। সেখানে অন্যান্যের মধ্যে স্থানীয় সংসদ সদস্য জুয়েল আরেং, কড়ইতলী কোল অ্যান্ড কোক এমপোর্টারস ওয়েল ফেয়ার এসোসিয়েশনের সভাপতি ও গোবরাকুড়া ইউপি চেয়ারম্যান আলহাজ্ব মো. সুরুজ মিয়া, সাধারণ সম্পাদক ইসমাইল হোসেন, গোবরাকুড়া স্থলবন্দর আমাদানী-রপ্তানী কারক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আলী আজগরসহ বন্দর সংশ্লিষ্ট ব্যবসায়ীগণ, রাজনৈতিক নেতা ও গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন। 

মুখ্যমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশের নিযুক্ত ভারতীয় হাই কমিশনের কর্মকর্তা ও তার সফরসঙ্গীরা ছিলেন। সেখানে বাংলাদেশের ব্যবসায়ীরা ভারত থেকে কয়লা, পাথার, ফলসহ বিভিন্ন পণ্য আমদানী  ও বাংলাদেশ থেকে ইট, পোল্ট্রি, মাছসহ বিভিন্ন পণ্য রফতানি বিষয়ে বিভিন্ন দিক তুলে ধরে সফররত মেঘালয়ের মুখ্যমন্ত্রীর কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করা হয়। এসব ক্ষেত্রে সার্বিক সহযোগিতার আশ্বাস দেন মুখ্যমন্ত্রী।

পালাবদল/এমএ


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]