শুক্রবার ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯ ২৯ অগ্রহায়ণ ১৪২৬
 
প্রতিরক্ষা
ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নিজেদের হেলিকপ্টার ভূপাতিত: কোর্ট মার্শালে ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুই কর্মকর্তা
ক্ষেপণাস্ত্র দিয়ে নিজেদের হেলিকপ্টার ভূপাতিত: কোর্ট মার্শালে ভারতীয় বিমানবাহিনীর দুই কর্মকর্তা





হিন্দুস্তান টাইমস
Tuesday, Oct 15, 2019, 10:36 am
 @palabadalnet

ভারতীয় বিমান সেনারা গত ২৭ ফেব্রুয়ারি ক্ষেপনাস্ত্র ছুঁড়ে নিজেদেরেই একটি এমআই-১৭ ভি৫ হেলিকপ্টার ভূপাতিত করে। এ জন্য বিমান বাহিনীর দুই অফিসারকে কোর্ট মার্শালে নেয়া হচ্ছে। ওই ঘটনায় হেলিকপ্টারের ছয় আরোহী নিহত হয়। ভারতীয় বিমান বাহিনী (আইএএফ) প্রধান রাকেশ কুমার সিং ভাদুরিয়া নিজেদের গুলিতে হেলিকপ্টার ভূপাতিত হওয়ার ঘটনাকে ‘বড় ধরনের ভুল’ হিসেবে বর্ণনা করার পর এই সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা হলো।

এয়ার চিফ ভাদুরিয়া আরো বলেন, শিথিলতার জন্য ওই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। তবে তিনি বিস্তারিত কিছু বলেননি।
 
ওই ঘটনার সাথে পরিচিত লোকজন জানাচ্ছেন, ওই দুই অফিসারকে কোর্ট মার্শাল করা ছাড়াও ভারতীয় বিমানবাহিনীর আরো চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

গত ২৭ ফেব্রুয়ারি জম্মু ও কাশ্মিরে নওশেরা সেক্টরের আকাশে ভারত ও পাকিস্তানি জঙ্গি বিমানগুলো যখন যুদ্ধে লিপ্ত ছিল, তখনই রুশ নির্মিত একটি এমআই-২৭ হেলিকপ্টারকে ভূমি থেকে আকাশে নিক্ষেপযোগ্য ক্ষেপণাস্ত্রে ভূপাতিত করা হয়। ভারতীয় হেলিকপ্টারটি শ্রীনগর বিমানক্ষেত্র থেকে উড্ডয়ন করে আকাশে থাকার সময় জম্মু অঞ্চলের রাজোরি সেক্টরে প্রবেশ করার পর পাকিস্তান বিমানবাহিনীর বিমানগুলো উত্তর কাশ্মিরের বারামুল্লার উরি সেক্টরে প্রবেশের চেষ্টা করছিল।

এর আগে শ্রীনগর এয়ার বেইজের এয়ার অফিসার কমান্ডিং (এওসি)-কে অপসারণ করা হয়। বেশ কয়েকটি পর্যায়ে শিথিলতা ছিল বলে তদন্তে দেখা গেছে।

উদাহরণ হিসেবে বলা যায়, ভারত ও পাকিস্তান বিমান বাহিনীর জঙ্গিবিমানগুলোর মধ্যে আকাশযুদ্ধ চলার মধ্যেই হেলিকপ্টারটিকে ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছিল এয়ার ট্রাফিক কন্ট্রোল। এটিসি হেলিকপ্টারটিকে অন্যত্র চলে যেতে বা পূর্ব নির্ধারিত অবস্থানে থাকতে বলতে পারত।

এর আগে ২০১৮ সালেও এ ধরনের একটি ঘটনা ঘটতে যাচ্ছিল। ওই সময় ভারতীয় বিমানবাহিনীর একটি পরিবহন বিমান ও সু-৩০এমকেআইয়ের মধ্যে সঙ্ঘাত হতে যাচ্ছিল। তখন অবতরণ করতে আসা সব বিমানকে এফওএফ (আইডেন্টিফিকেশন অব ফ্রেন্ড এন্ড ফো) সিস্টেম সুইচ অন করতে নির্দেশ দিয়েছিল ভারতীয় বিমানবাহিনীর সদর দফতর। কিন্তু কোনো ব্যাখ্যা ছাড়াই ঘাঁটি থেকে ওই নির্দেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল।

শত্রু বা বন্ধু শনাক্তকরণ বা আইএফএফ নির্দেশ বন্ধ করার নির্দেশ দানকারী অফিসারদের বিরুদ্ধেও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হচ্ছে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় আইএফএফ ব্যবস্থা চালু করা হয়। এর ফলে কোন বিমানটি নিজেদের পক্ষের তা শনাক্ত করা যায়।

পালাবদল/এমএম


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]