বুধবার ১৬ অক্টোবর ২০১৯ ১ কার্তিক ১৪২৬
 
সারাবাংলা
আবরারের ছোট ভাইকে মেরেছে পুলিশ, ভাবিকে লাঞ্ছিত!
আবরারের ছোট ভাইকে মেরেছে পুলিশ, ভাবিকে লাঞ্ছিত!





কুষ্টিয়া প্রতিনিধি
Wednesday, Oct 9, 2019, 9:21 pm
Update: 09.10.2019, 9:22:44 pm
 @palabadalnet

কুষ্টিয়া: বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) নিহত শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজের অভিযোগ পুলিশ তাকে মারধর করেছে। তা ছাড়া তার এক এক ভাবিকেও লাঞ্ছিত করেছে বলে অভিযোগ করেন তিনি।

অবশ্য পুলিশ বলছে, ঘটনাস্থলে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি এড়াতে সেখানকার অনেকের সঙ্গে পুলিশের ধাক্কাধাক্কির ঘটনা ঘটেছে। পুলিশ কাউকে মারধর করেনি।

আজ বুধবার কুষ্টিয়ার কুমারখালীর রায়ডাঙ্গায় আবরার ফাহাদের গ্রামের বাড়িতে যান বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ভিসি অধ্যাপক সাইফুল ইসলাম। তবে স্থানীয়দের প্রতিরোধের মুখে বিকেল পাঁচটার দিকে তিনি জেলা প্রশাসকের গাড়িতে করে ওই এলাকা ত্যাগ করেন।

বুয়েট ভিসি আবরার ফাহাদের এলাকায় গেলে উত্তেজনা তৈরি হয়। পুলিশি পাহারায় ভিসি ফাহাদের বাড়ির উদ্দেশ্যে যেতে চাইলে এলাকাবাসীর বিক্ষোভের মুখে পড়েন। সেখানে ধাক্কাধাক্কি ও জটলার সৃষ্টি হয়। এ সময় আবরার ফাহাদের ছোট ভাই আবরার ফাইয়াজও সেখানে ছিলেন। ফায়াজ বলেন, ‘কুষ্টিয়া জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান কনুই দিয়ে আমার বুকে আঘাত করেন। আমার এক ভাবিকেও তারা লাঞ্ছিত করেছে। আমার ভাইকে মেরে ফেলা হয়েছে এখন আমাকেও মারতে চাইছে।’

তবে এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘ফাইয়াজ ভিসিকে মারতে উদ্যত হলে তিনি তা নিরসন করেন। এ ছাড়া আশপাশের কয়েকজন ভিসিের দিকে তেড়ে আসেন। তার দাবি, কারও গায়ে তিনি হাত তোলেননি। সেখানে ধাক্কাধাক্কি হয়েছে।

আবরারের মামাতো ভাইয়ের স্ত্রী তমা খাতুন পুলিশের দ্বারা লাঞ্ছিত হয়েছেন বলে অভিযোগ প্রসঙ্গে পুলিশ ও প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভিসি জেলা প্রশাসকের গাড়িতে করে চলে যান। কিন্তু তার পেছনে ছিল পুলিশ সুপারের (এসপি) গাড়ি। বিক্ষোভকারীরা মনে করেছিলেন ভিসি পুলিশ সুপারের গাড়িতে রয়েছেন। তখন তমা খাতুন পুলিশ সুপারের গাড়ির রাস্তা আটকে দাঁড়ান। এ সময় এক পুলিশ সদস্য তাকে সরিয়ে দিতে চাইলে পুলিশ সদস্যকে তমা খাতুন ধাক্কা দিলে আরেক নারী পুলিশ সদস্য তমা খাতুনকে ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেন।

উল্লেখ্য, ভারতের সঙ্গে চুক্তির বিরোধিতা করে শনিবার বিকালে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে একটি স্ট্যাটাস দেন ফাহাদ। এর জের ধরে রোববার রাতে শেরেবাংলা হলের ২০১১ নম্বর কক্ষে ডেকে নিয়ে তাকে পিটিয়ে হত্যা করেন ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। পরে তার লাশ সিঁড়িতে ফেলে রাখা হয়।

এ ঘটনায় আবরারের বাবা ১৯ জনকে আসামি করে একটি মামলা করেন। ঘটনায় জড়িত সন্দেহে বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের ১১ জনকে সংগঠন থেকে বহিষ্কার করে কেন্দ্রীয় কমিটি।

পালাবদল/এসএ


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]