শনিবার ১৯ অক্টোবর ২০১৯ ৩ কার্তিক ১৪২৬
 
প্রতিরক্ষা
অত্যাধুনিক রাফালও রক্ষা করতে পারবে না ভারতের বিমানবাহিনী
অত্যাধুনিক রাফালও রক্ষা করতে পারবে না ভারতের বিমানবাহিনী





পালাবদল ডেস্ক
Saturday, Sep 28, 2019, 7:13 am
 @palabadalnet

ভারতের মধ্যপ্রদেশে গোয়ালিয়রের কাছে বুধবার আরেকটি মিগ-২১ জঙ্গিবিমান বিধ্বস্ত হয়েছে। রুটিন প্রশিক্ষণ টহলের সময় এই দুর্ঘটনা ঘটে বলে ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমে বলা হয়। তবে মিগের দুজন পাইলট – একজন গ্রুপ ক্যাপ্টেন ও একজন স্কোয়াড্রন লিডার নিরাপদে বেরিয়ে আসতে পেরেছেন বলে জানা গেছে।

বিধ্বস্ত মিগ-২১ ট্রেইনার এয়ারক্রাফটি ছিলো ভারতীয় বিমান বাহিনীর (আইএএফ) ট্র্যাকটিকস এন্ড এয়ার কমব্যাট ডেভলপমেন্ট এস্টাব্লিশমেন্ট ট্রেনিং স্কুলের।
 
সকাল ১০টার দিকে গোয়ালিয়র বিমান ঘাঁটির কাছে এই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনাস্থলটি জেলাসদর থেকে ৬০ কিলোমিটার দূরে।

ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয় এটা ছিলো চলতি বছর বিমান বাহিনীর ১২তম বিমান হারানো। দুর্ঘটনার কারণ তদন্তে কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এর আগে গত মার্চে রাজস্তানের বিকানের এলাকায় আইএএফের আরেকটি মিগ-২১ বিধ্বস্ত হয়। তবে পাইলট নিরাপদে বেরিয়ে আসতে সক্ষম হন। ভারতীয় মিডিয়া জানায়, বিমানের ইঞ্জিনে সমস্যা নিয়ে বিকেল বেলা রুটিন মিশনে বের হওয়ার পর ওই দুর্ঘটনা ঘটে।

মজার বিষয় হলো, গত ২৭ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তান বিমান বাহিনী ভারতের যে জঙ্গিবিমানটিকে গুলি করে ভূপাতিত এবং এর পাইলট উইং কমান্ডার অভিনন্দন বর্তমানকে আটক করে সেটি ছিলো একটি মিগ-২১ বিসান। এর বয়স অবসর গ্রহণের কাছাকাছি পৌছে গিয়েছিলো। লাইফ এক্সটেনশন ও বারবার আপগ্রেড করে বিমানগুলো ব্যবহার করছে আইএএফ।

মিগ-২১ হলো সোভিয়েত আমলের সিঙ্গেল ইঞ্জিন মাল্টিরোল এ্যাটাক ফাইটার। ভারতীয় বিমান বাহিনীর মূল শক্তি এগুলো। চীন-ভারত যুদ্ধের পরপরই ১৯৬০-এর দশকে প্রথম এ ধরনের বিমান সংগ্রহ করে তারা। ২০০৬ সালে এগুলো আপগ্রেড করে মিগ-২১ বিসান সংস্করণ তৈরি করা হয়।

ভারতীয় মিডিয়ায় বলা হয় যে, এসব মিগ-২১ জঙ্গিবিমান সবচেয়ে দুর্ঘটনাপ্রবণ। ২০১০-১৩ সালের মধ্যে ১৪টি মিগ-২১ বিধ্বস্ত হয়। এগুলো এতটাই কুখ্যাতি অর্জন করে যে এর নাম হয় ‘বিধবা সৃষ্টিকারী’ বা ‘উড়ন্ত কফিন’।

১৯৮০’র দশকের মাঝামাঝি এসব বিমানের অবসরে যাওয়ার কথা ছিলো। শক্তিশালী মাল্টেমোড রাডার, উন্নত এভিওনিক্স ও কমিউনিকেশন সিস্টেম সংযোজনের মাধ্যমে এগুলোকে আপগ্রেড করে বিসান সংস্করণ তৈরি করা হয়।

২০১৫-১৮ সালের মধ্যে মোট ২৪টি বিমান হারায় আইএএফ। এসব দুর্ঘটনায় নিহত হয় ৩৯ জন। সূত্র: গ্লোবাল ভিলেজ স্পেস

পালাবদল/এসএফ


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2019
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৩৭৩/৩২ ফ্রি স্কুল স্ট্রিট, হাতিরপুল, কলাবাগান, ঢাকা-১২০৫
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]