মতামত
মাথার ওপর তলোয়ার রাখলে তো আর স্বাধীনভাবে মাথা নড়াচড়া করা যায় না: সাইফুল আলম
মাথার ওপর তলোয়ার রাখলে তো আর স্বাধীনভাবে মাথা নড়াচড়া করা যায় না: সাইফুল আলম





Wednesday, Jul 21, 2021, 5:03 am
Update: 21.07.2021, 5:07:12 am
 @palabadalnet

যুগান্তর সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম

যুগান্তর সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম

করোনার এই দেড় বছরে মিডিয়া নতুন পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। এটি মোটেও সুখের নয়। বিশেষ করে আমাদের এখানে প্রিন্ট মিডিয়ার অবস্থা খুবই নাজুক। সংবাদপত্র শিল্প অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী হতে না পারলে স্বাধীন মত প্রকাশ ও চিন্তার স্বাধীনতা বাধাগ্রস্ত হবে। বর্তমানে পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বিজ্ঞাপনশূন্য অবস্থায় ছাপা হচ্ছে, মাসের পর মাস এভাবে চলতে থাকলে সংবাদপত্র তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখবে কীভাবে? প্রিন্ট মিডিয়া বাঁচাতে হলে সমন্বিত উদ্যোগ গ্রহণ জরুরি। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে বেশকিছু ধারা এমনভাবে সন্নিবেশিত আছে যেখানে স্বাধীন সাংবাদিকতা, স্বাধীনভাবে মত প্রকাশ বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। মাথার ওপর তলোয়ার রাখলে তো স্বাধীনভাবে মাথা নড়াচড়া করা যায় না। কাজেই যেসব ধারা স্বাধীন সাংবাদিকতার জন্য বাধা তা রহিত করা উচিত।

যুগান্তর সম্পাদক, জাতীয় প্রেস ক্লাবের সাবেক সভাপতি সাইফুল আলম মানবজমিনকে দেয়া সাক্ষাৎকারে করোনায় গণমাধ্যমের বর্তমান সংকট ও এর সমাধানে করণীয় নিয়ে কথা বলেছেন।

করোনার এই দেড় বছরে একজন সাংবাদিক ও সম্পাদক হিসেবে মিডিয়াকে কীভাবে দেখছেন?

সাইফুল আলম: পরিস্থিতি মোটেই সুখকর নয়। বৈরী আবহাওয়ার মধ্য দিয়েই চলছে মিডিয়া। করোনাকালে যে পরিস্থিতির মধ্য দিয়ে চলেছি এটি আমাদের অভিজ্ঞতার মধ্যে ছিল না। এটি আমাদের ভাবনা বা কল্পনার মধ্যেও ছিল না। করোনার আগে স্বাভাবিক অবস্থাও গণমাধ্যমের জন্য খুব সুখকর ছিল না, অনেক ক্ষেত্রে নেতিবাচকই বলা যায়। বিশেষ করে অর্থনৈতিক মন্দা কাটিয়ে ওঠার চ্যালেঞ্জের মধ্যেই একটি বিরাট ধরনের অভাবনীয় সংকটের মুখে পড়েছে গণমাধ্যম। সারা বিশ্বই সেই সংকটের মধ্যে পড়েছে। বিশ্বের রাজনীতি, অর্থনীতি, সমাজ এক বিরাট শূন্যতার মধ্যে পড়েছে। গণমাধ্যমও এর বাইরে নয়। বাংলাদেশের গণমাধ্যমও সেই ধাক্কার মধ্যে পড়েছে। পৃথিবীর অনেক দেশেই এই করোনাকালে গণমাধ্যম মুখ থুবড়ে পড়েছে। 

আমরা দেখেছি পৃথিবীর বেশকিছু আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন মিডিয়া এই সময় বন্ধ হয়ে গেছে। অনেকগুলো সঙ্কুচিত হয়েছে। বাংলাদেশেও আমরা তা প্রত্যক্ষ করেছি। বিশেষ করে বাংলাদেশের প্রিন্ট মিডিয়ার অবস্থা খুবই নাজুক। নাজুক এই কারণে যে, আমাদের সার্কুলেশন মারাত্মকভাবে বিঘ্ন ঘটেছে, সরবরাহ লাইন একেবারে ভেঙে পড়েছে। বিজ্ঞাপন যেখানে প্রিন্ট মিডিয়ার একমাত্র আয়ের উৎস সেটিও একেবারে পর্যদস্তু। কোথাও কোথাও তা চার ভাগের একভাগে নেমে এসেছে। সার্কুলেশন প্রথম ধাক্কায় সত্তরভাগ নেমে গিয়েছিল। তা যখন ক্রমান্বয়ে পঞ্চাশ ভাগে উন্নীত হয়েছে তখনই আসে করোনার দ্বিতীয় ধাক্কা। এই দ্বিতীয় ধাক্কার মাশুল আমরা এখনো দিচ্ছি। যে কারণে বাংলাদেশের বেশকিছু গণমাধ্যমে সাশ্রয়ী অবস্থান গ্রহণ করার অজুহাতে কোথাও কোথাও লোকবল ছাঁটাই করা হয়েছে, কোথাও কোথাও বেতন কমানো হয়েছে, কোথাও কোথাও ওয়েজবোর্ডের অন্তর্ভুক্ত সাংবাদিক-কর্মচারীদের চাকরির অবসান ঘটিয়ে চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। 

এটা তো কেবল লোকবলের ক্ষেত্রে হয়েছে। অন্যান্য ক্ষেত্রে বিশেষ করে, কাগজগুলো পৌঁছে দেয়ার জন্য যারা হকার তাদেরও অনেকে পেশা পরিবর্তন করে ফেলেছেন। কারণ এই পেশা থেকে দৈনিক যে আয় হচ্ছে তা দিয়ে তাদের জীবন চলছিল না। 

একটি সংবাদপত্র যার বিজ্ঞাপনের আয় চার ভাগের একভাগ হয়ে গেছে, যার সার্কুলেশন তিরিশ-চল্লিশ শতাংশে নেমে এসেছে। এর বাইরে সংবাদপত্রে নিউজপ্রিন্ট আমদানি করতে হয় এর শুল্কও অনেক বেশি। বাংলাদেশে করপোরেট ব্যবসায়ীদের ট্যাক্স কমানো হয়েছে কিন্তু সংবাদপত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা করলেও এ সেক্টরে কোনো ধরনের ট্যাক্স কমানো হয়নি। কাজেই বেশকিছু করারোপের ক্ষেত্রেও সংবাদপত্র একটি বৈরী আবহাওয়ার মধ্যে রয়েছে। সম্পাদক পরিষদের পক্ষ থেকে এবং সংবাদপত্র মালিকদের পক্ষ থেকে বারবার এসব বিষয়ে দেন-দরবার করা হয়েছে, দাবি উত্থাপন করা হয়েছে। যৌক্তিক দাবিগুলোর বিষয়ে সরকারের নানা মহলে উপস্থাপন করায় সহানূভূতি পাওয়া গেছে বটে তবে সেইসব দাবি আজ পর্যন্ত কার্যকর হয়নি। যে কারণে সংবাদপত্রগুলো অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হতে পারছে না ক্রমেই একটি রুগ্ণ শিল্পে পরিণত হচ্ছে। এটি সংবাদপত্রের জন্য যেমন অশনিসংকেত, সংবাদ কর্মীদের জন্যও অশনি সংকেত। স্বাধীন মত প্রকাশের ক্ষেত্রে, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় রাষ্ট্রীয় কাঠামো এগিয়ে নেয়ার ক্ষেত্রে এটি বড় ধরনের বাধা।

সংবাদপত্র যদি নিজস্ব অর্থায়নের মধ্য দিয়ে মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে পারে তবেই মতপ্রকাশ ও চিন্তার যে স্বাধীনতা নিশ্চিত করেছে সংবিধান বাস্তবে তার প্রতিফলন দেখতে পারবো।

করোনাকালে মিডিয়াকে বাঁচাতে সরকারি প্রণোদনা নিয়েও আলোচনা চলছে নানাভাবে, কীভাবে দেখেন?

প্রণোদনা আমরা চেয়েছি বটে কিন্তু এখন পর্যন্ত আমরা তার কোনো প্রতিফলন পাইনি। প্রতিফলন তো দূরের কথা সংবাদপত্রগুলো বিজ্ঞাপন বাবদ প্রায় দেড়শ’ কোটি টাকা পায় সরকারের কাছে- এই দুর্যোগে এই অর্থ ছাড়ের বিষয়ে আবেদন নিবেদন করা হয়েছিল। এককালীন দশ কোটি টাকার একটি ছাড় করা হয়েছে। কথা হচ্ছে যেখানে শতাধিক কোটি টাকা পাওনা সেখানে দশ কোটি টাকা তো কোনো বিষয় নয়। দেড় বছর হলো করোনা চলছে এমন পরিস্থিতি সামাল দিতে প্রণোদনা কোথায় দেয়া হয়নি? ক্ষুদ্র শিল্প, মাঝারি শিল্প, ভারী শিল্প এমনকি যারা কোটি কোটি টাকা খেলাপি ঋণ নিয়েছেন তারাও প্রণোদনা পাচ্ছেন সেখানে সংবাদপত্র তো প্রণোদনা পাইইনি উল্টো তার পাওনা পর্যন্ত পাচ্ছে না। এটি সরকারের বিবেচনায় নেয়া দরকার।

তাছাড়া এখন যে বিজ্ঞাপনের রেট সংবাদপত্র পাচ্ছে এটি অনেক পুরনো হয়ে গেছে। এটি দিয়ে সংবাদপত্র টিকিয়ে রাখা সম্ভব নয়। এটিরও পরিবর্তন হওয়া দরকার। অন্তত তিন চারগুণ বৃদ্ধি করা দরকার। সেখানেও আমরা কোনোরকম আশ্বাস বা সদিচ্ছার প্রমাণ পাচ্ছি না। প্রণোদনা তো চাই কিন্তু তার আগে আমার পাওনা চাই। করোনায় সরকারি-বেসরকারি সবরকম অফিস বন্ধ। তাহলে সংবাদপত্র কালেকশন কোথা থেকে করবে। মাস গেলেই তো সাংবাদিক-কর্মচারীদের বেতন দিতে হবে। এভাবে চলতে থাকলে বেতন কোথা থেকে আসবে। পৃষ্ঠার পর পৃষ্ঠা বিজ্ঞাপনশূন্য অবস্থায় ছাপা হচ্ছে, মাসের পর মাস এভাবে চলতে থাকলে সংবাদপত্র তার অস্তিত্ব টিকিয়ে রাখবে কীভাবে?

তাহলে সরকারের সহযোগিতা কি দরকার?

অবশ্যই সরকারের দায়িত্ব রয়েছে। সরকারের সংশ্লিষ্ট মন্ত্রীর দায়িত্ব রয়েছে। সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও মন্ত্রীর সঙ্গে একাধিকবার বসা হয়েছে। তিনি আশ্বাসও দিয়েছেন। এর সঙ্গে যে শুধু তথ্য মন্ত্রণালয় জড়িত তা তো নয়, এর সঙ্গে আরও বেশক’টি মন্ত্রণালয় জড়িত। তাদের সঙ্গে নোয়াব, সম্পাদক পরিষদ, এডিটরস গিল্ড, ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নসহ আরও যে সব সংগঠন আছে এর সঙ্গে তথ্য, আইন ও অর্থ মন্ত্রণালয় সকলে মিলে যদি সংবাদপত্র শিল্পকে বাঁচানোর জন্য উদ্যোগ গ্রহণ না করা হয়, সমন্বিত উদ্যাগ যদি গ্রহণ না করা হয় তাহলে সংবাদপত্র শিল্পকে টিকিয়ে রাখা খুব কঠিন। অনেক বড় চ্যালেঞ্জের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে সংবাদপত্র। সরকার ঘোষিত নবম ওয়েজ বোর্ড কি সব জায়গায় কার্যকর হয়েছে? হয়নি। পাঁচ বছর আগেই গণমাধ্যমকর্মী আইন নিয়ে নীতিগত সিদ্ধান্ত হয়েছে কিন্তু তা এখনো পর্যন্ত আইনে পরিণত হয়নি।

ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন নিয়ে আলোচনা আছে। একজন সিনিয়র সাংবাদিককে গ্রেফতার ও মুক্তি নিয়ে সরব সাংবাদিক সমাজ
সংবাদপত্র বিশেষ করে সাংবাদিকের স্বাধীনতায় আমি বিশ্বাসী। যেকোনো সংবাদকর্মীই তা বিশ্বাসী করেন এটা বলার অপেক্ষা রাখে না। আমরা অবাধ তথ্য প্রবাহে বিশ্বাসী। আমরা স্বাধীন চিন্তায় বিশ্বাসী। মতপ্রকাশের স্বাধীনতায় বিশ্বাসী।ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের কয়েকটি ধারা এমনভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যাতে স্বাধীন সংবাদিকতা বাধাগ্রস্ত হয়। বিষয়টি সম্পাদক পরিষদের পক্ষে সুস্পষ্ট কয়েকটি ধারা উল্লেখ করে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়সহ একাধিক মন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করে তুলে ধরা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে তারা একমতও হয়েছেন। কিন্তু তা শিথিল হয়নি।

ডিজিটাল এই যুগে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের প্রয়োজন আছে তা অস্বীকার করার কোনো উপায় নেই। ডিজিটাল অপরাধও অনেক বেড়েছে। সেটাও আমাদের ধর্তব্যের মধ্যে নিতে হবে। কিন্তু বর্তমান আইনে বেশকিছু ধারা এমনভাবে সন্নিবেশিত আছে যেখানে স্বাধীন সাংবাদিকতা, স্বাধীনভাবে মতপ্রকাশ বাধাগ্রস্ত হয়। মাথার উপর তলোয়ার রাখলে স্বাধীনভাবে মাথা নড়াচড়া করা যায় না। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের ক্ষেত্রেও তাই ঘটেছে। রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে বারবার বলা হয়েছে সাংবাদিকদের বিষয়ে সরকার যথেষ্ট সহানূভুতিশীল। এ আইন তাদের বিরুদ্ধে ব্যবহার করা হবে না। কিন্তু বাস্তবে আমরা দেখেছি গত ছয় মাসে ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনে প্রচুর সংখ্যক মামলা সাংবাদিকের বিরুদ্ধে হয়েছে। সাংবাদিকদের এই আইনে কারাগারে যেতে হচ্ছে। আমাদের কাছে তথ্য আছে, এ নিয়ে ভিন্নরকম বক্তব্য দেয়ার অবকাশ নেই। আমরা মনে করি, ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনের যে সকল ধারা- উপধারাগুলো স্বাধীন সাংবাদিকতায় প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে সেগুলো রহিত করা উচিত।

এর সঙ্গেই আলোচনায় আছে অফিসিয়াল সিক্রেটস অ্যাক্ট?

সেটা নাটকীয়ভাবে হঠাৎ করে আমাদের সামনে এসেছে। আমরা সাম্প্রতিক সময়ে একটি ঘটনায় তা প্রয়োগ করতে দেখেছি। এত পুরনো একটি আইনকে টেনে এনে সাংবাদিকদের বিপরীতে অবস্থান কেন নেয়া হলো সেটি বোধগম্য নয়।

সংবাদপত্র শিল্পের চাকা গতিশীল করতে কি ধরনের পদক্ষেপ নেয়া জরুরি?

অতিমারি মোকাবিলায় সংবাদপত্র শিল্পের সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের সকলের সমন্বিত উদ্যোগ জরুরি। সংবাদপত্রগুলোর যে বকেয়া পাওনা রয়েছে তা অনতিবিলম্বে পরিশোধ এবং সেই লক্ষ্যে সমস্ত মন্ত্রণালয়গুলোকে সাতদিন অথবা দশদিন সময় বেঁধে দেয়া- যেন এরমধ্যেই সকল পাওনা পরিশোধ করা হয়। যেখানে অন্যান্য শিল্প রক্ষায় প্রণোদনা দিচ্ছেন, থোক বরাদ্দ করছেন সেখানে সংবাদপত্র শিল্প রক্ষায় প্রণোদনা দিচ্ছেন না কেন? বিভিন্ন সেক্টরে যেখানে এক লক্ষ হাজার কোটি টাকা প্রণোদনা দিচ্ছেন সেখানে এ শিল্পের জন্য পাঁচশ’ কোটি টাকার একটি থোক বরাদ্দ হতেই পারে। তা যদি না হয় সংবাদ শিল্পকে নামমাত্র সুদে বা বিনা সুদে এক হাজার কোটি টাকা ঋণ দেয়া যেতে পারে। এ সুবিধার জন্য প্রিন্ট বা ইলেক্ট্রনিক মিডিয়ার একটি বড় ধরনের উদ্যোগ নেয়া দরকার।

কিন্তু এ ধরনের সহায়তা নিলে সরকারের কর্মকাণ্ড নিয়ে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশ বাধাগ্রস্ত হবে কিনা?

এখন কি আমরা সরকারের কার্যক্রম নিয়ে লিখছি না। সংবাদপত্রে বা টেলিভিশনে আসছে না, প্রচার হচ্ছে না। কথা হতে পারে আমরা যার কাছ থেকে আর্থিক সুবিধা নেবো তার বিরুদ্ধে অবস্থান নেবো কিনা? সারা বিশ্বে সাংবাদিকতা একটি চাপের মধ্যেই থাকে। সেটি অর্থনৈতিক চাপ, রাজনৈতিক চাপ, পেশি শক্তির চাপ। এর মধ্যেও আমরা কতোটা স্বাধীন সাংবাদিকতা করতে পারছি বা করছি এটি একটি বড় প্রশ্ন। আমরা তো পুঁজির দ্বারাও দারুণভাবে নিয়ন্ত্রিত। সে জায়গাতে সংবাদপত্র তার অস্তিত্ব বজায় রেখেই প্রণোদনা পেতে পারে বলে আমি মনে করি।


  এই বিভাগের আরো খবর  
  সর্বশেষ খবর  
  সবচেয়ে বেশি পঠিত  


Copyright © 2020
All rights reserved
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]
সম্পাদক : সরদার ফরিদ আহমদ
বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয় : ৫১, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭
ফোন : +৮৮-০১৮৫২-০২১৫৩২, ই-মেইল : [email protected]